নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আদিবাসী এক গৃহবধূকে জোর করে তুলে নেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে বাধা দেয়ায় প্রতিপক্ষের মারপিটে চার নারীসহ সাতজন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকার আদিবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘটনার একদিন পার হলেও পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি।
আহতরা হলেন, উপজেলার বাহাদুরপুর ইউপির সাদাপুর (জিগাবাড়ী) গ্রামে শ্রী সম্ভুর স্ত্রী দিপালী রাণী (৩৫), শ্রী দ্বিজেনের স্ত্রী জোসনা রাণী (৪০), শ্রী তপনের স্ত্রী সেফালী রাণী (২২), শ্রী স্বপনের স্ত্রী কল্পনা রাণী (২৫), শ্রী খগেন এর ছেলে শ্রী স্বপন (২৫) ও শ্রী তপন (২২) ও শ্রী রামের ছেলে শ্রী গোপেস। এদের মধ্যে দিপালী, জোসনা, সেফালী, তপন ও গোপেসকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার লতিফপুর গ্রামের সাইদুর ইসলামের বাড়ির পাশে সাদাপুর গ্রামের বাসিন্দা সম্ভুরদের জমি আছে। ওই জমি সাইদুর ইসলাম নিজের বলে দাবি করে আসছিলেন। ওই জমি নিয়ে সাইদুর ইসলামের সঙ্গে সম্ভুরদের বেশ কয়েক বছর ধরে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। এ দ্বন্দ্বের জের ধরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাইদুরের নেতৃত্বে ৮/৯ জনের মুখোশধারী একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী সম্ভুর বাড়ি থেকে তার স্ত্রী দিপালীকে (৩৫) জোর করে তুলে নেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় দিপালীর চিৎকারে আদিবাসীরা উদ্ধারে এগিয়ে আসলে ওই সন্ত্রাসীরা মারপিট করে তাদের। এতে ওই চার নারীসহ সাতজন আহত হন।
এদিকে গৃহবধূকে জোর করে তুলে নেয়ার ব্যর্থ চেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করে সাইদুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি ওই জমির মালিক।
নিয়ামতপুর থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) রেজাউল ইসলাম জানান, শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত কোন অভিযোগ না পাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।