গত মাসে ভয়াবহ বোমা হামলার একজন প্রধান সন্দেহভাজন ব্যক্তি ৬০০ মার্কিন ডলার ঘুষ দিয়ে অবৈধভাবে থাইল্যান্ডে প্রবেশ করে। এই ঘটনায় দেশটির সীমান্তে ব্যাপক দুর্নীতির বিষয়টিই উঠে এসেছে। ওই হামলার ঘটনায় যে দুইজন বিদেশিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, তাদের একজনের নাম আদেম। খবর এএফপির।
পুলিশ জানায়, আদেমের কাছে বোমা তৈরির উপকরণ ও তুরস্কের বেশ কয়েকটি জাল পাসপোর্ট পাওয়া যায়। পুলিশ আরো জানায়, সে কী ভাবে থাইল্যান্ডে প্রবেশ করেছে তারা তা জানতে পেরেছে।
পুলিশ প্রধান সোমিয়ত পুমপানমুয়াং সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রথম লোকটি (কারাদাগ) জানিয়েছে, সে ভিয়েতনাম থেকে পার্শ্ববর্তী একটি দেশের মধ্য দিয়ে থাইল্যান্ডে প্রবেশ করেছে। থাইল্যান্ডে ঢোকার জন্য সে ঘুষ দিয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘সীমান্ত পার হয়ে থাইল্যান্ডে ঢুকতে সে ৬০০ মার্কিন ডলার ঘুষ দিয়েছে।’ সে ঘুষ গ্রহণকারী কর্মকর্তার পরিচয় প্রকাশ করেনি। এই ঘটনায় গ্রেফতারকৃত দ্বিতীয় ব্যক্তি ইউসুফু মিরাইলিকে কমো্বডিয়ার সীমান্ত থেকে দুই দিন পর গ্রেফতার করা হয়। তার সঙ্গে চীনের পাসপোর্ট ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। পাসপোর্টটি জাল নয় বলেই পুলিশের বিশ্বাস।
১৭ আগস্ট ব্যাংককের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত ওই মন্দিরে ভয়াবহ বোমা হামলার ঘটনায় ২০ জনের মৃত্যু হয়।