যৌন সম্পর্কের জন্য রোবট উৎপাদন নিষিদ্ধ করতে আন্দোলন শুরু হয়েছে যুক্তরাজ্যে। আন্দোলনের প্রধান উদ্যোক্তা ডক্টর ক্যাথলিন রিচার্ডসন বলেন প্রযুক্তির এমন ব্যবহার অপ্রয়োজনীয় এবং অপ্রত্যাশিত।
যৌন চাহিদা মানুষের প্রাথমিক প্রবৃত্তিগুলোর মধ্যে অন্যতম। সেই চাহিদা মেটানোর প্রাকৃতিক ব্যবস্থা থাকার পাশাপাশি বাজারে অনেক দিন ধরেই প্রচলিত রয়েছে বিভিন্ন ধরণের সেক্স ডল। এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন রোবট তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে যার সংবেদনশীলতা মানুষের কাছাকাছি হবে। এই উদ্যোগের যেমন সমর্থন রয়েছে তেমনি বিরোধী পক্ষেরও অভাব নেই।
রোবটের ভবিষ্যত ও নৈতিকতা নিয়ে গবেষণা করা লেইস্টারের ডে মন্টফোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক রিচার্ডসন মনে করেন রোবট নির্মাণের ক্ষেত্রে যেসব বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে সেটি নারী ও পুরুষ সম্পর্কে বিদ্যমান গৎবাধা ধারণাগুলোকেই প্রতিষ্ঠা করা হবে। তিনি বলেন, রোবোটিক্স ইন্ডাস্ট্রিতে সেক্স রোবটের ধারণাটাই যেন দিনে দিনে মনোযোগ বেশি পাচ্ছে। যেসব মডেলের ভিত্তিতে তাদের তৈরি করা হচ্ছে, যেরকম তাদের দেখাবে এবং যে ভূমিকা পালনের জন্য তাদের তৈরি করা হচ্ছে সেটা বেশ উদ্বেগজনক।
IMG0
এছাড়া এই ধরণের রোবট নির্মাণ সামাজিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটা বিরাট প্রভাব ফেলবে। কারণ এই ধরণেন রোবট তৈরির পেছনে যুক্তিটাই যে নারী-পুরুষের মধ্যের সম্পর্কটা আবেগীয় নির্ভরতা বিহীন শারীরিক সম্পর্কের দিকে ইঙ্গিত করে। রিচার্ডসন বলেন, আমরা মনে করি এই ধরণের রোবট নারী ও পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধ, নারী-নারী, পুরুষ-পুরুষ সামাজিক সম্পর্কে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে।