ভারতের দিল্লিতে ডেঙ্গু জ্বরে আরো তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৪১ বছর বয়সী এক নারী এবং দুই শিশু রয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া, প্রায় দুই হাজার রোগী শনাক্ত হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। খবর এনডিটিভির।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও ছবিতে দেখা গেছে, সরকারি হাসপাতালগুলোতে এক বিছানায় তিন থেকে চারজন করে রোগী রেখে চিকিত্সা দেয়া হচ্ছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিগত পাঁচ বছরের মধ্যে এ বছরই এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা গেছে। ডেঙ্গু জ্বর যাতে মহামারী আকার ধারণ করতে না পারে, সেই লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল। তারপরও কুলিয়ে উঠতে পারছে না হাসপাতালগুলো।
সরকারি হাসপাতালগুলোয় রবিবারের মধ্যে অতিরিক্ত এক হাজার বেড স্থাপনের নির্দেশ জারির পাশাপাশি এবার রাজ্য সরকার বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও অতিরিক্ত বেড স্থাপন, চিকিত্সক ও সেবক নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে। সেই সঙ্গে ডেঙ্গু চিকিত্সায় বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে ৬০০ রুপির বেশি ফি না ধরারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এর আগে ডেঙ্গু জ্বরে দুই ব্যক্তির মৃত্যুর পর আক্রান্ত রোগীদের সেবা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল বেসরকারি হাসপাতালগুলো। এ কারণে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তাদেরকে সতর্ক করে জানিয়ে দিয়েছে—এমন কাজ করা হলে তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হবে এবং তারা আর হাসপাতাল চালাতে পারবে না। দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দর জৈন বলেছেন, হাসপাতালগুলোতে বেড না থাকলেও রোগীদের চিকিত্সা করতে হবে।