চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফর দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরো মজবুত করবে। সম্পর্কের সেতুবন্ধনে ভবিষ্যত পথ নির্ধারণে আলোচনার ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে বুধবার চীনা বিশেষজ্ঞরা মতামত ব্যক্ত করেছেন। আগামী ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্র সফর করবেন বলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। খবর সিনহুয়ার।
চায়না ইন্সটিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিআইএস) সভাপতি সু জে বলেছেন, শি জিনপিংয়ের এ সফর গুরুত্বের বিবেচনায় এটি হবে তাদের জন্য এক বিশাল মাইলফলক। তিনি বলেন, এই সফর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় বিরাট অবদান রাখবে। এটি চীনের প্রয়াত নেতা দেং জিয়াওপিংয়ের মুক্তবিশ্বে পদার্পণের বিষয়টিকেই আমন্ত্রণ জানাবে। ১৯৭৯ সালের পর উভয়ের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। তারপর থেকে এর ধারাবাহিকতা চলছে। তিনি বলেন, আমরা আশা করতে পারি, এর মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে ভবিষ্যত সুসম্পর্কের দিক-নির্দেশনাই দেব।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ঝু বলেন, এই ফোরামে উভয় দেশই তাদের উন্নয়নের বিষয়ে কথা বলবেন এবং একটা সুন্দর গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে এ আলোচনার পথ পাবে বলে আশা রাখি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, উভয় পই তাদের নিজ নিজ উন্নয়নের দিক, কৌশলগত উদ্দেশ্য, পারস্পরিক স্বার্থ, শান্তি এবং স্থিতিশীলতার জন্য কাজ করবে বলে আমরা আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওয়াং ঝিঝু বলেন, চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক সবসময়ই একটা পুননির্মাণের ধাপ হিসেবে থাকবে।
চল্লিশ বছর আগে বৃহত্ এই দুই দেশের মধ্যে একই ধরনের হুমকি ছিল। তা হলো—সোভিয়েত ইউনিয়ন। সে সময় চীনের ততটা সমতা ছিল না। কিন্তু কালের বিবর্তনে সে সময় এখন পাল্টে গেছে। এখন আর উভয়ের হুমকি এক নয়। তাই সময় এসেছে সম্পর্ক বিনির্মাণে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর।