নাগেশ্বরী হাটে চাহিদা বেড়েছে দেশীয় গরুর

নাগেশ্বরীতে পশু কোরবানির হাটে বেড়েছে দেশীয় গরুর চাহিদা। এসব গরুর দাম সামর্থ্যের মধ্যে থাকায় ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ই খুশি।
  
অন্যান্যবার কুড়িগ্রাম জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম নাগেশ্বরীর এই গরুর হাটে ভারতীয় গরুর আধিপত্য থাকলেও এবারে ক্রেতাদের কাছে এর চাহিদা কম থাকায় এখন পর্যন্ত ভারতীয় গরু তেমন আসেনি। দেশীয় গরুতে জমে উঠেছে কোরবানির এ হাট। মিডিয়ার কল্যাণে সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন খামারে ওষুধ প্রয়োগে মোটা তাজা করা গরুর প্রতি ক্রেতাদের দৃষ্টিও কম।স্থানীয় চরাঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা স্বাস্থ্যবান ষাঁড় ও বলদ গরুগুলোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষিত হচ্ছে ক্রেতাদের।
 
সরেজমিনে দেখা গেছে, বিক্রেতারা প্রখর রোদে গরু হাতে ক্রেতাদের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে। পছন্দমত দাম পেলেই তারা বেচে দিচ্ছেন। প্রতি গরু বিক্রি হচ্ছে সর্বনিম্ন ১৬ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকায়। গরু নিতে আসা সাপখাওয়া গ্রামের মিজানুর রহমান, তেলিয়ানীর ওছমান গনি, সাঞ্জুয়ার ভিটা গ্রামের বাচ্চু মিয়া, পৌর এলাকার মমিনগঞ্জের আবু আব্দুল্লাহসহ অনেকেইে বলেন, বিভিন্ন হাট ঘুরে তারা দেখেছেন দেশীয় গরুতে জমে ওঠা এ হাটে গরুর দাম ক্রেতাদের সামর্থ্যের মধ্যে রয়েছে। এখানে প্রতি গরু যে দামে বিক্রি হচ্ছে অন্যান্য হাটে এর দাম অনেক বেশি। তাই সামর্থ্যের মধ্যে পছন্দমত দেশীয় গরু কিনতে পারায় ক্রেতা ও বিক্রি বেশি হওয়ায় বিক্রেতারাও খুশি।