জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের ভেটো ক্ষমতার স্বেচ্ছাচার ব্যবহারে রাশ টানার প্রস্তাব তুলেছে ফ্রান্স।বুধবার জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে তোলা এই প্রস্তাবে বলা হয় ভয়াবহ নৃশংসতা ও গণহত্যার মতো ঘটনায় নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যরা তাদের ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে নিজেদের বিরত রাখবে- ফ্রান্সের এ ধরনের একটি খসড়া প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।
খসড়া এই প্রস্তাবের ঘোষণায় বলা হয়, ভয়াবহ নৃশংসতা প্রতিরোধ বা এ ধরনের পরিস্থিতির ইতি টানার উদ্দেশে নিরাপত্তা পরিষদের নেওয়া কোনো পদক্ষেপকে ভেটো প্রয়োগ করে বন্ধ করা উচিত নয় বলে বিবেচনা করছি আমরা। প্রস্তাবে ফ্রান্সের পক্ষ থেকে আরো বলা হয়, আমরা জোর দিয়ে বলছি, ভেটো কোনো বিশেষ সুবিধা নয় বরং একটি আন্তর্জাতিক দায়িত্ব।
ইউরোপ, আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা ও এশিয়ার ৭৫টি দেশ এই খসড়া প্রস্তাবে সই করে সম্মতি দিলেও ফ্রান্স ছাড়া নিরাপত্তা পরিষদের অপর চার স্থায়ী রাষ্ট্র সদস্য যুক্তরাজ্য, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া এতে সম্মতি দেয়নি। তবে জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে আরো অনেকে প্রস্তাবের পক্ষে সম্মতি দেবে বলে আশাবাদী ফ্রান্সের কর্মকর্তারা। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ল্যঁরা ফ্যাবিয়াস বলেছেন, সিরিয়ায় ভয়াবহ নৃশংসতা হলেও ভেটোর কারণে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কিছু করতে পারছে না। এই ধরনের পরিস্থিতির অবসান নিশ্চিত করতে আরো প্রতিশ্রুতি পাওয়া যাবে বলে আশা করছি আমরা। তিনি জানান, ব্যাপক নৃশংসতা ও গণহত্যার মতো ঘটনায় ফ্রান্স তার ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করবে না বলে ইতোমধ্যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে। এক্ষেত্রে অন্যরাও ফ্রান্সের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে বলে আশা করছেন তিনি। জাতিসংঘের কূটনীতিকরা জানিয়েছেন, ফ্রান্সের এই উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। অপরদিকে বিষয়টিকে ভালোভাবেই নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু রাশিয়া ও চীন উদ্যোগটি পছন্দ করছে না।
ইউরোপ, আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা ও এশিয়ার ৭৫টি দেশ এই খসড়া প্রস্তাবে সই করে সম্মতি দিলেও ফ্রান্স ছাড়া নিরাপত্তা পরিষদের অপর চার স্থায়ী রাষ্ট্র সদস্য যুক্তরাজ্য, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া এতে সম্মতি দেয়নি। তবে জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে আরো অনেকে প্রস্তাবের পক্ষে সম্মতি দেবে বলে আশাবাদী ফ্রান্সের কর্মকর্তারা। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ল্যঁরা ফ্যাবিয়াস বলেছেন, সিরিয়ায় ভয়াবহ নৃশংসতা হলেও ভেটোর কারণে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কিছু করতে পারছে না। এই ধরনের পরিস্থিতির অবসান নিশ্চিত করতে আরো প্রতিশ্রুতি পাওয়া যাবে বলে আশা করছি আমরা। তিনি জানান, ব্যাপক নৃশংসতা ও গণহত্যার মতো ঘটনায় ফ্রান্স তার ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করবে না বলে ইতোমধ্যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে। এক্ষেত্রে অন্যরাও ফ্রান্সের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে বলে আশা করছেন তিনি। জাতিসংঘের কূটনীতিকরা জানিয়েছেন, ফ্রান্সের এই উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। অপরদিকে বিষয়টিকে ভালোভাবেই নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু রাশিয়া ও চীন উদ্যোগটি পছন্দ করছে না।
সিরিয়ার প্রেসিডেন্টে বাশার আল আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলোর তিনটি নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে রাশিয়া ও চীন। এছাড়া সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে, এমন অভিযোগ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে তোলার ব্যাপারে পশ্চিমাদের অপর একটি প্রস্তাবেও ভেটো দিয়েছ চীন-রাশিয়া। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর ভেটো ক্ষমতা সীমিত করার দাবি জানিয়ে আসছে। রয়টার্স