প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনায় জনতার ঢল নামানোর ঘোষণা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গণসংবর্ধনায় জনতার ঢল নামিয়ে বিএনপি-জামায়াত ও তাদের আন্তর্জাতিক প্রভুদের ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে চায় আওয়ামী লীগ। এজন্য দলটির পক্ষ থেকে রাজনৈতিক সংকীর্ণতার উদ্ধে উঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাতে দেশের সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে জাতীয় পতাকা হাতে শনিবার দুপুর ১২ টায় বিমানবন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পুরষ্কার চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ এবং ‘আইসিটি টেকসই উন্নয়ন পুরস্কার’ লাভ করায় প্রধানমন্ত্রীকে তার দল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এই গণসংবর্ধনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদান শেষে শনিবার বেলা ১টা ৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশের ফেরার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানকে সফল করতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় ১৪ দল, ঢাকা মাহনগর আওয়ামী লীগ, পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ, প্রকৌশলী, চিকিৎসক, কৃষিবিদ, ডিপ্লোমা প্রকৌশলী, আইনজীবী, সাংবাদিক, শিক্ষক নেতৃবৃন্দ, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব, সংস্কৃতি কর্মী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, নারী সংগঠন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের  নেতৃবৃন্দসহ আশেপাশের জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের একাধিক বৈঠক হয়েছে।

গণসংবর্ধনা সফল ও রাস্তায় যাতে বিশৃঙ্খলা ও জনগণের ভোগান্তি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে এবং সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সফল করতে মাহবুব উল আলম হানিফকে সমন্নয়ক করে একটি কমিটি করা হয়েছে। বৈঠক থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের সবাইকে জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। তবে সেখানে কারো ব্যক্তিগত ছবি থাকবে না। ছবি থাকবে শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। আর রাস্তার দুই পাশ থেকে ফুলে পাপড়ি ছিটাতে বলা হয়েছে।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পর্কে দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সমন্বয়ক মাহাবুব উল আলম হানিফ বলেন, গণসংবর্ধনা উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সফল করতে দলটির পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে। তিনি বলেন, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জনতার ঢল নামিয়ে বিএনপি জামায়াত ও তাদের আন্তর্জাতিক প্রভুদের ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে চাই। প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেয়ার জন্য ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বিমানবন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত পুরো পথ ৮টি রুটে বিভক্ত করা হয়। স্থানীয় সংসদ সদসদের নেতৃত্বে দল ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এসব রুটে দাঁড়িয়ে কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। ফোকাস বাংলা।