বাংলাদেশে বিদেশিদের নিরাপত্তা জোরদার

 
বিদেশি নাগরিক ও কূটনীতিকদের জন্য বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সরকার। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুই বিদেশি নিহত হওয়ায় এবং তাদের মৃত্যুর সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএস-এর সম্পৃক্ততা রয়েছে সন্দেহে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হল।
 
বাংলাদেশে এবারই প্রথম বিদেশি নাগরিকদের ওপর এভাবে আক্রমণ হয়েছে। সেই সঙ্গে আইএস জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এমন আরো বেশ কিছু আক্রমণ চালানো হবে। এই বিষয়গুলোতে সামনে রেখেই সারাদেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
 
বিদেশি নাগরিক ও কূটনীতিকদের বাসা এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার জন্য বাড়তি ফোর্স নিয়োগ করা হয়েছে বলে রয়টার্সকে জানায় ডেপুটি কমিশনার মুনতাসিরুল ইসলাম।
 
পুলিশ এখনও এই হত্যাকাণ্ড আইএস সংশ্লিষ্ট বলে মনে করছে না। গত দুই বছরে জঙ্গি সংগঠনটির মাত্র দুইজন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। তারা দেশে আইএস'র পক্ষে জঙ্গি নিয়োগের জন্য এসেছিলেন।
 
আইএস'র পক্ষ থেকে জানানো হয়, 'খ্রিস্টান রাষ্ট্রগুলোর নাগরিকদের বিরুদ্ধে আমাদের এই কার্যক্রম জারি থাকবে। কেননা, মুসলিম কোন দেশে তাদের নিরাপদ আশ্রয় থাকবে না।
 
২৮ সেপ্টেম্বর গুলশানের মত কূটনীতিকদের এলাকায় দুর্বৃত্তরা গুলি করে ইতালীয় নাগরিক তাভেল্লা চেজারকে হত্যা করে। এরপর থেকে সকল অ্যাম্বাসির পক্ষ থেকেই তাদের নাগরিকদের জন্য বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই জাপানি নাগরিকের মৃত্যু হয়।
 
এদিকে দেশে বিদেশিদের নিরাপত্তা সমস্যা হবে এমনটা দাবি করে বাংলাদেশ সফর স্থগিত করে অস্ট্রেলিয়া।