দৃষ্টি হারানোর শঙ্কায় প্রিয়া আমান!

 
ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়া আমান। বড়পর্দাতেও অভিনয় করেছেন তিনি। সম্ভাবনাময়ী এ অভিনেত্রী হঠাৎ এক দুর্ঘটনায় দৃষ্টি শক্তি হারাতে বসেছেন। তিনি জানিয়েছেন, দুটি চোখের কর্ণিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার। ফলে তিনি এখন চোখে কিছু দেখতে পারছেন না।
 
প্রিয়া আমান জানান, গত ৩০ সেপ্টেম্বর কারওয়ান বাজারের ইউটিসি ভবনের এক শুটিং হাউজে 'ইয়েস ম্যাডাম নো স্যার' শিরোনামের একটি ধারাবাহিক নাটকের শুটিংয়ে অংশ নেন। নাটকটির একটি চরিত্রের প্রয়োজনে তিনি চোখে লেন্স ব্যবহার করেন। শুটিং শেষে লেন্স খুলে ফেলার পরপরই তিনি চোখে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন। প্রিয়া বলেন, বলেন, 'লেন্স খোলার পর চোখে অসহ্য যন্ত্রণা অনুভব করি। এরপর থেকে আমি চোখে কিছু দেখতে পারছি না।'
 
সে সময় প্রিয়ার চিৎকারে রাস্তায় দায়িত্বরত পুলিশ এগিয়ে আসে। চোখে ব্যথার তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, সেখানেই জ্ঞান হারান তিনি। পরে পুলিশ সদস্যরা তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে একটি চক্ষু হাসপাতালে নেওয়া হয়। চোখের চিকিৎসকরা চিকিৎসা দেওয়া শেষে তাকে জানান, দুটি চোখের কর্ণিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
 
IMG0
তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলেন, 'আমি আবার সবকিছু দেখতে চাই। চোখ নষ্ট হয়ে গেলে আমার কী হবে? কীভাবে আমি দেখব? আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন।'
 
চিকিৎসকরা ধারণা করছেন, যে লেন্সটি চোখে পরেছিলেন, সেটি ছিল মেয়াদ উত্তীর্ণ। এ কারণে লেন্সের রং চোখের ভেতরে ছড়িয়ে পড়ে কর্ণিয়া ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।কায়সার আহম্মেদের ইয়েস ম্যাডাম নো স্যার ধারাবাহিক নাটকের শুটিংয়ের জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর ফার্মগেট থেকে প্রিয়া আমান নিজে চোখে ব্যবহারের জন্য লেন্সটি কিনে পরেন।
 
IMG1
এবারের ঈদে প্রিয়া আমান অভিনীত ছয়টি নাটক বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচার হয়েছে। এগুলো হলো মোহন খানের মেঘ পাখি একা, অঞ্জন আইচ পরিচালিত সাধারণের দুঃস্বপ্ন, পৃথুরাজ পরিচালিত অনুরণন, শাহীন সরকার পরিচালিত ভালোবেসে যদি সুখ নাহি, মিনহাজ অভি পরিচালিত চন্দ্রমল্লিকার বনে, অন্তু আজাদের আহ্বান।বর্ষিয়াণ অভিনেতা সোহেল রানার হাত ধরে চলচ্চিত্রে পা রাখেন প্রিয়া আমান।