বাংলাদেশ-চীনের লক্ষ্য অভিন্ন : চীনা রাষ্ট্রদূত

 
ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত মা মিং চিয়াং বলেছেন, বাংলাদেশ ও চীনের লক্ষ্য অভিন্ন। দুই দেশই তার জনগণের জীবনমান উন্নয়নে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে এবং একই নির্দেশিত পথে অগ্রসর হচ্ছে। এ জন্য দুই দেশকে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক আরো জোরদার করতে হবে।
 
বাংলাদেশ-চীন কূটনৈতিক সম্পর্কের ৪০ বছর পূর্তি ও চীনের ৬৬তম গণপ্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি সম্মানিত অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। রাজধানীর এক হোটেলে শনিবার সাংস্কৃতিক একাডেমি নামের একটি সংগঠন এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
 
চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দশকের মধ্যে সহযোগিতার সম্পর্ক বৃদ্ধিতে বাস্তবভিত্তিক প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কারণ, চীন একা উন্নয়ন করতে পারবে না। তিনি বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক বোঝাপড়ার সম্পর্ক অনেক পুরনো। আশা করি, আগামীতে এই সম্পর্ক আরো বিস্তৃত ও গভীর হবে। একই সঙ্গে এই সম্পর্কের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণও উপকৃত হবে। সেজন্য আমাদেরকে একসঙ্গে কাজ করে যেতে হবে।
 
আকবর আলি খান বলেন, বড় অর্থনীতি ও শক্তির দেশ হিসেবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় চীনকে ভূমিকা রাখতে হবে এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার সম্পর্ক বাড়াতে হবে। তিনি বলেন, চীনের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অভাবনীয়। চীনা জনগণ যা করে দেখিয়েছে বিশ্বের অন্য কোন দেশের মানুষ তা পারেনি। 
 
তিনি বলেন, গত ৪০ বছরে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অনেক উন্নত ও সুদৃঢ় হয়েছে। এই সম্পর্ককে উন্নয়নের অংশীদারিত্বে পরিণত করা প্রয়োজন। সেজন্য উভয় দেশের সরকার ও জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে।
 
একাডেমির প্রধান উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান। সভায় বক্তৃতা করেন সাবেক মন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, সুপ্রিম আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহাবুব হোসেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) প্রেসিডিয়াম সদস্য হায়দার আকবর খান রনো, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) চেয়ারম্যান মুন্সি ফয়েজ আহমেদ, প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম ও বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুইয়া। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির বেপারী। বাসস।