সৌদি আরবের মিনায় পদদলিত হয়ে নিহত বাংলাদেশি হাজির সংখ্যা বেড়ে ৯২ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ আছেন আরো ৮০ জন। সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন। নিহত হাজির সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাস ও হজ অফিসের কর্মকর্তারা।
সূত্র জানিয়েছে, নিহত হাজিদের মধ্যে ৭৮ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। এদের মধ্যে ৫৫ জনের লাশ সৌদি আরবেই দাফন করা হয়েছে। যেসব লাশ দেখে পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না তাদের ডিএনএর সঙ্গে আত্মীয়দের ডিএনএ মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করছে সৌদি সরকার। বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে নিখোঁজ হাজিদের সৌদি আরবে থাকা নিকটাত্মীয়দের ডিএনএ নমুনা দিতে অনুরোধ করা হয়েছে।
সমপ্রতি ধর্মসচিব চৌধুরী মো.বাবুল হাসান সৌদি আরব থেকে ফিরে বলেছেন, হাজিদের লাশ বাংলাদেশে আনার ব্যাপারে দেশটির সরকার অনুমতি দেয়নি। গত ২৪ সেপ্টেম্বর হজের পরদিন শয়তানকে পাথর মারতে যাওয়ার পথে মিনার ২০৪ নম্বর সড়কে পদদলিত হয়ে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের হাজিরা মারা যান। সৌদি আরব এখন পর্যন্ত ৭৬৯ জন হাজির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। দেশটি বলেছে, এ সময় আহত হয়েছেন আরো আট শতাধিক। অবশ্য এ ঘটনায় কতজন হাজি মারা গেছেন তা নিয়ে ইতিমধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইরান বলেছে, পদদলিত হয়ে মৃতের সংখ্যা দুই হাজার হবে। ভারত ও পাকিস্তানের কাছে সৌদি সরকারের দেওয়া তালিকায় ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ হাজির মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে। সৌদি আরবের বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, দেশটির বিভিন্ন হাসপাতালে আহত বাংলাদেশি হাজিরা চিকিত্সা নিচ্ছেন। আহত হাজির সংখ্যা এখন ২১ জন। কর্মকর্তারা বলেছেন, নিহত বাংলাদেশি হাজিদের সবার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহ সৌদি আরবের কেন্দ্রীয় মর্গে রাখা হয়েছে।
খবর ফোকাস বাংলার।