দুর্নীতি মামলায় বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকাকে ১৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে নিম্ন আদালত। এ রায়কে প্রহসনমূলক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আখ্যায়িত করে ঢাকার সাবেক এই মেয়র বলেছেন, রাজনীতি থেকে তাকে বিদায় করতেই সরকারের চাপে আদালত এ রায় প্রদান করেছে। এই রায়কে তিনি বিচার বিভাগের ইতিহাসে প্রহসনের বিচার বলে অভিহিত করেন। নিউইয়র্কে চিকিত্সারত সাদেক হোসেন খোকা টেলিফোনে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন।
খোকা বলেন, ‘চিকিত্সার জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে প্রথমবার আমাকে বিমানবন্দর থেকে ফিরিয়ে দেয় হয়। এরপর আদালতের নির্দশনা নিয়ে চিকিত্সার জন্য নিউইয়র্কে অবস্থান করছি। এটা সবার জানা। অথচ এ রায় ঘোষণার সময় আজকে আমাকে পলাতক দেখানো হয়েছে। যা সম্পূর্ণ বেআইনি।’
তিনি বলেন, ‘নিউইয়র্কে আমার ক্যান্সার চিকিত্সার সর্বশেষ অবস্থার যাবতীয় তথ্য আদালতে জমা দেয়া হয়েছে। এরপরও পলাতক দেখিয়ে আমার কোনো আইনজীবীকে আদালত কথা বলার সুযোগ দেয়া হয়নি। এটি বিচার বিভাগের ইতিহাসে প্রহসনের বিচার হয়েই থাকবে।’
সাদেক হোসেন খোকা বলেন, আমি যাতে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড না করতে পারি, ভবিষ্যত নির্বাচনগুলোতে অংশ নিতে না পারি সেজন্যই সরকার আদালতকে দিয়ে আমাকে শাস্তির ব্যবস্থা করেছে। রায়ের কপি হাতে পেলে আইনজীবীদের সাথে পরামর্শ করে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে তিনি জানান। খোকা আরো বলেন, আমি দূরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত। ২৩ অক্টোবর ডাক্তারের সাথে অ্যাপয়েন্টমেন্ট রয়েছে। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী দেশে ফেরার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব। বিদেশে থাকার প্রশ্নই ওঠে না।
মঙ্গলবার বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে তাকে ১৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডসহ অনাদায়ে অর্থ জরিমানা এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।
খবর বাসসের।