বন্দুক আইন কঠোর করতে যাচ্ছে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ক্ষুদ্র দেশ পালাউ। ৩০ বছরের মধ্যে প্রথম বারের মতো বন্দুকের গুলিতে নিহতের ঘটায় দেশটি এ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। খবর এএফপির।
পালাউর প্রেসিডেন্ট টমি রেমেঙ্গেসাউ জানান—কেনেথ কোশিবার বাসিন্দা কোরোরের মৃত্যুতে ২১ হাজার জনসংখ্যা-অধ্যুষিত দেশটিতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিশ্বের অন্যতম সেরা আন্ডারওয়াটার ডাইভিং সাইট হিসেবে দেশটির সুখ্যাতি রয়েছে।
টমি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘এই ঘটনায় আমি স্তম্ভিত এবং এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।’
চলতি মাসের গোড়ার দিকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। ১১ অক্টোবর ভোরের দিকে এক পেট্রোল স্টেশনের রাস্তায় কোরোরের মরদেহ পাওয়া যায়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—৩৭ বছর বয়সী কোরোকে উপর্যুপরি গুলি করা হয়েছে। তার হূদপিণ্ড ও মেরুদণ্ডে এয়ার গ্যাস রাইফেলের গুলি পাওয়া গেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ‘সেকেন্ড ডিগ্রি’ হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। পালাউতে এরই মধ্যে বন্দুকের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা রয়েছে। দেশটিতে শুধু সৈন্য ও পুলিশ সদস্যরা আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি রাখতে পারে।
সর্বশেষ ১৯৮৮ সালে প্রেসিডেন্ট লাজারুস সালি মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে আত্মহত্যা করেন। এর তিনবছর আগে হারুরো রেমালিককে কমপক্ষে দুই বন্দুকধারী গুলি করে হত্যা করে।