যুক্তরাজ্যের একটি গণমাধ্যমে বলা হয়েছে সৌদি আরবের রাজপরিবারের মধ্যে বিদ্রোহ হতে পারে।এই বিদ্রোহের মাধ্যমে বর্তমান বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজকে সরিয়ে দেয়া হতে পারে।
যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দৈনিক ইন্ডিপেন্ডেন্ট জানাচ্ছে, সৌদি আরবের ১২ যুবরাজের আটজনই বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজকে সরানোর পক্ষে বলে তাদের একজন দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, তারা ৭৯ বছর বয়সী সালমানকে হটিয়ে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুবরাজ আহমেদকে সিংহাসনে বসাতে চান। কঠোর ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে পরিচালত সৌদি আরবে তারা আইনের শাসন দেখতে চান।
তিনি বলেন, “আমরা সৌদি আরবে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংস্কার দেখতে চাই। এখানে চিন্তার স্বাধীনতা ও আইনের শাসন দেখতে চাই।রাজবন্দিদের মুক্তি চাই এবং সত্যিকারের ইসলামী শরিয়াহ প্রতিষ্ঠা করতে চাই।”
রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক প্রিন্স আহমেদ ছিমছাপ জীবনযাপন ও কর্মদক্ষতার জন্য রাজপরিবার ও ধর্মীয় নেতাদের ‘পছন্দের শীর্ষে’ বলে ভিন্নমতাবলম্বী ওই যুবরাজের দাবি।
“তিনি ধার্মিক হলেও খোলামনের। তিনি ইংরেজি ভাষায় পারদর্শী এবং প্রতিনিয়ত বিশ্বসংবাদ অনুসরণ করেন। জুয়া, নারী, মদের নেশায় তিনি আসক্ত নন বলে অন্য ভাইরাও তাকে বেশ পছন্দ করেন।”
প্রিন্স আহমেদ সৌদি রাজতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা আল সউদের সর্বকনিষ্ঠ (৩১তম) সন্তান। তার মা হাসা বিনতে আহমাদ আল সুদাইরি বাদশা সউদের সবচেয়ে প্রিয়পাত্র ছিলেন বলে বলা হয়। বর্তমান বাদশাহ সালমান তার বাবার ২৫তম সন্তান।
উল্লেখ্য, আব্দুল আজিজ আল সউদ ১৯৩২ সালে সৌদি আরবের বর্তমান রাজতন্ত্রের প্রতিষ্ঠার পর তার বড় ছেলে সউদ বিন আব্দুল আজিজকে পরিবারের বিদ্রোহে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হয়েছিল ভাই ফয়সলের কাছে।
১৯৬৪ সালের মতো ঘটনা এবারও ঘটতে পারে, ইন্ডিপেন্ডেন্টকে বলেন আল সউদের নাতি এই যুবরাজ।