চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে মো. রতন (৩০) নামের চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১’র একজন চালকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় পৌরসভাধীন এনায়েতপুর নামক স্থানে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রতন পাবনা সদরের ১২নং ওয়ার্ড চকপৈলানপুর (নয়নামিত) গ্রামের মো. কালুর ছেলে। তিনি চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির শাহরাস্তি জোনাল অফিসে কর্মরত ছিলেন।
সহকর্মীরা জানায়, শনিবার সকালে চাঁদপুর-লাকসাম রেল লাইনের এনায়েতপুর নামক স্থানে রতন তার মুঠোফোনে কানে হেডফোন লাগিয়ে গান শুনতে শুনতে হাঁটছিলেন। এ সময় পেছন দিক থেকে আসা লাকসামগামী ডেমু ট্রেনের বারবার হুইসেল ও সহকর্মীদের চিৎকার শুনতে পাননি তিনি। ফলে ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।
পল্লী বিদ্যুতের এজিএম (প্রশাসন) জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘শনিবার এনায়েতপুর নামক স্থানে রেল লাইন সংলগ্ন এলাকায় পল্লী বিদ্যুতের মেনটেন্সের কাছ চলছিল। মেনটেন্সের মালামাল নিয়ে সকালে ড্রাইভার রতন ওই এলাকায় যান। রতন মেইনটেন্স কাজের স্থান থেকে ৩০-৪০ গজ দূরে চলে যান। ওই সময় ডেমু ট্রেন এসে যায়। ট্রেনের বারবার হুইসেল দিলে সহকর্মীদের নজর আসে। কিন্তু ট্রেনের হুইসেল ও সহকর্মীদের চিৎকারেও তিনি রেল লাইন থেকে সরে না যাওয়ায় ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।’
চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (জিএম) জেনারেল ম্যানেজার মো. ঘটনাস্থলে সংবাদকর্মীদের জানান, নিহত রতনের ১ ছেলে ১ মেয়ে রয়েছে। দেড় বছর পূর্বে রতন চাকরিতে যোগদান করেছে। শাহরাস্তি জোনাল অফিসে ড্রাইভার হিসেবে কর্মরত আছে।
আরও পড়ুনঃ বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব তুষারের শ্রদ্ধার্ঘ্য
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন রনি জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আমাদের ফোর্স পাঠানো হয়েছে। চাঁদপুর রেলওয়ে থানার পুলিশও ঘটনাস্থলে এসেছে।
ইত্তেফাক/নূহু