প্যারিসে সন্ত্রাসী হামলা এবং কিছু মিথ্যা প্রচারণা

 
সাম্প্রতিককালের বেশ কিছু জঙ্গি হামলার মতই প্যারিসে সন্ত্রাসী হামলার প্রাথমিক সংবাদ মিলেছিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সাধারণ মানুষ ও বেশ কিছুস্থানীয় সাংবাদিকের করা টুইট বা ফেসবুক পোস্ট থেকে মেলে এই হামলার ভয়াবহতার চিত্র। কিন্তু সেই সঙ্গে এই হামলার পরবর্তিতে বেশ কিছু বিভ্রন্ত ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
 
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে যাওয়া এমনই কিছু ভুল তথ্যের মধ্যে একটি হল- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি টুইট। যেখানে তিনি বলেছিলেন যে ফ্রান্সের কঠোর অস্ত্র আইনের কথা। যদিও ঐ টুইটটি তিনি করেছিলেন শার্লি এবদো হামলার সময়। কিন্তু সেটি এই হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করে সমালোচনা চলছে।
 
অন্যদিকে কেউ কেউ ক্যালের শরণার্থী শিবিরে 'প্রতিশোধমূলক হামলার' কথা প্রচার করছে। কিন্তু দেখা গেছে একটি বৈদ্যুতিক গোলোযোগের কারণে শিবিরে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছিল।
 
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে যাওয়া আরেকটি ভুল বার্তা হল- নিহতদের স্মরণে আইফেল টাওয়ারের বাতি নিভিয়ে দেয়ার একটি ছবি। কিন্তু আসল বিষয়, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার জন্য প্রতিরাতেই আইফেল টাওয়ারের বাতি নিভিয়ে দেয়া হয়।
 
অবশ্য বেশ কিছু সেবামূলক কাজও চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। প্যারিস হামলার সংবাদ আসার পর খুব দ্রুতই ফেসবুক তাদের সেফটি চেক অপশনটি চালু করে। এই টুলের মাধ্যমে স্বজন এবং বন্ধু-বান্ধবেরা তাদের প্রিয়জন নিরাপদে আছেন কিনা জানতে পারছেন। প্রথমবার এই ফিচারটি ব্যবহার করা হয়েছিল নেপালে ভূমিকম্পের পর। টুইটারে #porteouverte হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে আক্রান্ত মানুষদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করছেন প্যারিসবাসী। বিবিসি।