খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, স্বাধীনতা বিরোধীরাই বিদেশিদের ওপর হামলা করে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, যারা দেশের স্বাধীনতা চায়নি, যারা আগুন সন্ত্রাস করেছে তারাই নতুন কৌশল হিসাবে বিদেশিদের ওপর হামলা করে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত জামায়াতের ডাকা হরতালের প্রতিবাদে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে এ কথা বলেন তিনি। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানার সভাপতিত্বে আয়োজিত সমাবেশে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, তালুকদার মো. ইউনুস এমপি, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কন্ঠশিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম মনে করন, যুদ্ধাপরাধী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র এবং এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ক্ষত সারবে। তিনি বলেন, মুজাহিদ-সাকার রায় কার্যকর এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। আইনি প্রক্রিয়ার সকল কার্যক্রম শেষ। আর এই রায় কার্যকরের মধ্য দিয়ে ৪৬ বছরের ক্ষত সেরে যাবে।
যুদ্ধাপরাধী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন বুধবার খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এর ফলে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মুজাহিদ ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাকা চৌধুরীর দণ্ড কার্যকরে আর আইনি বাধা নেই। নিয়ম অনুযায়ী তারা এখন কেবল নিজেদের কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনার কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইতে পারবেন। এ বিষয়টির নিষ্পত্তি হলে সরকার দণ্ড কার্যকর করবে।
ওই মানববন্ধনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, ৭১-এর সব ঘাতকের সাজা একে একে নিশ্চিত করা হবে। জামায়াতের এই হরতাল প্রসঙ্গে মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, নির্বিচারে মানুষ হত্যাকারীদের বাঁচাতে জামায়াত হরতাল ডেকেছে। তারা এতো দুঃসাহস কোথায় পায়- তা খতিয়ে দেখা উচিত। ফোকাস বাংলা।