‘খালেদা জিয়া দেশে ফেরাতে জনগণ নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত’

 
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড.হাছান মাহমুদ বলেছেন, পত্রিকায় দেখলাম বিএনপি বিবৃতি দিয়েছে তারা নাকি দেশে খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। প্রকৃতপক্ষে বেগম জিয়া দেশে ফিরে আসাতে দেশের মানুষই তাদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।
 
শনিবার সকালে ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাছান মাহমুদ এই মন্তব্য করেন।
 
হাসান মাহমুদ বলেন, শুনেছি খালেদা জিয়া নাকি লন্ডনে অনেক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সাথে বৈঠক করেছেন। তিনি সেখানে দেশ নিয়ে আবার কোন ষড়যন্ত্র করেছেন? দেশে আবারো আন্দোলনের নামে পেট্রোল বোমার রাজনীতি শুরু করবেন কিনা এসব বিষয় নিয়ে জনগণ শঙ্কায় আছে।
 
তিনি বরেন, দেশের ইতিহাসকে কলঙ্কমুক্ত করতে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য প্রায় সম্পন্ন করার পর্যায়ে তখন হিউম্যান রাইট ওয়াচ ও অ্যামিন্যাস্টি মতো কিছু সংগঠন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিবৃতি প্রদান করছে। অথচ যখন সাদ্দাম হোসেনকে যুক্তরাষ্ট্র ফাঁসি দিয়েছিল তখন তারা মুখে কুলুপ এঁটে ছিল। বোস্টন বা অন্য কোন জায়গায় যখন সন্ত্রাসীদের হত্যা করা হয় তখন এসব সংগঠন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হয়েছে বলে কোন বিবৃতি দেয় না।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের এই প্রচার সম্পাদক বলেন, আপনি এতোদিন যে জঙ্গি ও সন্ত্রাসী আশ্রয়ী রাজনীতি করেছেন দয়া করে তা পরিহার করে জনগণের কাছে গিয়ে আপনার অতীতের ভুল-ভ্রান্তির জন্য ক্ষমা চান। তাহলে হয়তো আপনাকে ক্ষমা করলেও করতে পারে।
 
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পলাশীর যুদ্ধের ইতিহাসে আমরা এখন যেমন পড়ছি বেঈমান মীর জাফরের কোন বিচার হয়নি। তেমনি ৭১' এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না হলে আজ হতে ৩০ বছর পরে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম পড়তো এদেশের ইতিহাস পড়তে গিয়ে জানতো আমাদের দেশেও একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়নি। কিন্তু সকল চোখ রাঙানি, ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে শেখ হাসিনার সরকার ঠিকই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করে রায়ও কার্যকর করতে পেরেছে।