‘তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়নে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে’

বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ‘সীমান্ত চুক্তির মত ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে দ্রুত তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়নের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। তিস্তাসহ ৫৪ টি অভিন্ন নদীর পানি সমস্যার সমাধান করতে হবে।’
 
রবিবার বিকেলে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও দাবিতে রংপুর বিভাগীয় কনভেনশনে সরকারের প্রতি মন্ত্রী এ পরামর্শ দেন।
 
রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘আঞ্চলিক নদী ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ভারত, চীন, নেপাল ও ভুটানকে যুক্ত করে পানি সমস্যার সমাধান এবং পানি বিদ্যুতের মাধ্যমে আঞ্চলিক সমস্যা নিরসনে নাগরিকদের জেগে উঠতে হবে। তা না হলে উত্তরাঞ্চলসহ দেশ মরুভূমিতে পরিণত হবে। দক্ষিণাঞ্চলে লবনাক্ততা বাড়বে।’
 
তিনি আরো বলেন, ‘যে উদ্দেশ্যে তিস্তা ব্যারেজ করা হয়েছিল তার ফলাফল হয়েছে উল্টো। তিস্তা এখন মরুভূমি। তিস্তা নিয়ে আমাদের অধিকার আদায় করতে পারিনি। আমরা যদি ভারতের গজলডোবা পর্যন্ত জলাধার করতে পারতাম তাহলে তিস্তা ব্যারেজ করার উদ্দেশ্য সফল হতো।’
 
কনভেনশন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানীর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে জাতীয় কৃষক সমিতির সভাপতি ও ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি, কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ইয়াসিন আলী এমপি, রংপুর জেলা আহ্বায়ক অশোক সরকার, কৃষক নেতা মাহমুদুল হাসান মানিক, রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. জাকিউর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।