ভারতের কিছু আইনজীবী দাবি করেছিলেন মুঘল আমলে তৈরি হওয়া সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম তাজমহল ছিল একটি হিন্দু মন্দির। তবে ভারত সরকার জানিয়েছে, এমন দাবির পক্ষে তারা কোনো প্রমাণ খুঁজে পায়নি।
সপ্তদশ শতাব্দীতে মুঘল সম্রাট শাহজাহান দিল্লির আগ্রাতে যমুনা নদীর তীরে স্ত্রী মমতাজের সমাধিতে এক অনিন্দ্য ও অতুলনীয় প্রাসাদ তৈরি করেন। শ্বেতপাথরের তৈরি এই প্রাসাদ দেখতে সারা বিশ্ব থেকে মানুষ ছুটে আসে। সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম ও ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ এই সমাধিসৌধটিকে গত বছর আদালতে করা একটি পিটিশনে আগ্রার ছয়জন আইনজীবী দাবি করেছিলেন যে এটি আসলে একটি শিব মন্দির ছিল এবং এর পক্ষে তাদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে।
তাজমহলকে একটি হিন্দু মন্দির হিসেবে ঘোষণা করতে সরকারের প্রতি আবেদন জানান তারা। তবে ভারতের সংস্কৃতি মন্ত্রী মহেশ শর্মা বলেছেন, ভারত সরকার এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ খুঁজে পায়নি।
উল্লেখ্য, তাজমহল দেখতে প্রতিদিন ১২ হাজার দর্শনার্থী আসেন। ১৯৮৩ সালে ইউনেস্কো মুঘল সাম্রাজ্যের এই নিদর্শনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছে। বিবিসি।