বন্ধাত্বের জন্য পুরুষরাই বেশি দায়ী!

আমাদের সমাজে বন্ধাত্বের ক্ষেত্রে একচেটিয়াভাবে নারীদের দোষ দেয়ার একটা ভুল ধারণা ও দৃষ্টিভঙ্গি চালু আছে। কিন্তু বর্তমানে পুরুষরাই বেশি পরিমানে বন্ধাত্বের শিকার। সম্প্রতি এক গবেষণায় এমন তথ্যই মিলেছে।


ভারতের প্রজনন বিশেষজ্ঞ ড. গৌতম খাস্তগির বলছেন, বর্তমানে অন্তত ৬০ ভাগ পুরুষই বন্ধাত্বের শিকার। সম্প্রতি বাংলাদেশের প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এসএসবিসিএল গ্রুপ কর্তৃক আয়োজিত ‘বন্ধাত্বের সচেতনতা’ বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।


কলকাতার ‘বেঙ্গল ইনফার্টিলিটি অ্যান্ড রিপ্রোডাকটিভ থেরাপি হাসপাতাল’- এর পরিচালক ড. গৌতম দাবি করেন, ‘অন্তত ৯৫ ভাগ বন্ধাত্বের সমস্যা নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে ভালো করা সম্ভব।’ দুই বছরে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব বলেও তিনি দাবি করেন।


তবে তিনি এও বলেন, ‘এর চিকিৎসা খুবই ব্যয়বহুল। যার কারণে ৬৫-৭০ ভাগ রোগীই মাঝপথে এসে চিকিৎসা নেয়া বন্ধ করে দেন।’


তিনি মনে করেন যে, ‘অধিকাংশ বন্ধাত্বের সমস্যাই মারাত্বক কিছু নয়। বন্ধাত্ব সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধ্যান-ধারণা, চিন্তা-ভাবনা ও ভয়-ভীতিই এ বিষয়টাকে আরও বেশি ঘনীভূত করে তোলে।’


এ বিষয়ে সবার মাঝে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর উপর জোর দেন তিনি। আর এক্ষেত্রে এককভাবে নারীদের উপর দোষ চাপানোর দৃষ্ঠিভঙ্গি থেকে সবাইকে বেরিয়ে আসার জন্যও পরামর্শ দেন ড. গৌতম।