‘নতুন অনেকেই এফডিসিতে কাজ করতে ভয় পায়’

দেশিয় চলচ্চিত্রের সম্ভাবনার কথা সংশ্লিষ্টদের মুখে এখন পুরোনো বুলি। একে একে যেসব চলচ্চিত্র মুক্তি পাচ্ছে তা সম্ভাবনা নয়, শুধুই হতাশা তৈরি করছে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে। তবে এর মাঝে কয়েকটি মানসম্মত চলচ্চিত্র নির্মাণ হলেও ব্যবসায়িক দিক থেকে পিছিয়ে পড়ছে ছবিগুলো। ঢালিউডের জনপ্রিয় খলনায়ক মিশা সওদাগর। চলচ্চিত্রে নির্ভরযোগ্য খলনায়ক চরিত্র এখন তিনি। পাশাপাশি এখন কয়েকটি ছবিতে ইতিবাচক চরিত্রেও দেখা গেছে তাকে। গত কয়েক বছরে ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছে অনেক তরুণ নির্মাতা। যাদের কেউ মৌসুমি নির্মাতা, আবার কেউ মূলধারার চলচ্চিত্র থেকে ভিন্ন কিছু নির্মাণের প্রয়াস দেখিয়েছেন। তবে এফডিসি কেন্দ্রিক নতুন নির্মাতা খুব একটা দেখা যায়নি। এ প্রসঙ্গে মিশা সওদাগর বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রির উন্নতির জন্য এফডিসিতে সবাইকে আসতে হবে। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের এফডিসির সাথে সম্পৃক্ত থাকা উচিত। নতুন অনেকেই এফডিসিতে কাজ করতে ভয় পায়। কিন্তু বাইরের চেয়ে এফডিসিতে কাজ করলে সুবিধার পাশাপাশি খরচও কম হয়। জানি না তাদের এফডিসি মুখি হতে সমস্যা কোথায়।’

 
মিশা সওদাগর চলতি সময়ে প্রায় হাফ ডজন ছবির কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছেন। ছবিগুলো টার্গেট, আপন মানুষ, আমার প্রাণ আমার প্রিয়া, সম্রাট ও ভালোবাসা ডটকম।
 
বর্তমান সময়ে যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্র নিয়ে অভিযোগ উঠলেও শিল্পদের বা এফডিসির কোনো সমিতিই মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে না। এ প্রসঙ্গে মিশা সওদাগর বলেন, ‘এ নিয়ে সমিতিগুলোর মনে হয় কোনো মাথা ব্যথা নেই। কারণ সম্প্রতি একটি যৌথ প্রযোজনার ছবির ছাড়পত্র দিয়েছেন যা নীতিমালা বাইরে। তাদের এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে।’