ইরাক সরকারের আপত্তির মুখে দেশটিতে নতুন করে সেনা পাঠানো বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে তুরস্ক। অপরদিকে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরাকে মোতায়েন দেড়শ সেনা প্রত্যাহার করে নেয়ার দাবি জানিয়েছে বাগদাদ। এর অন্যথা হলে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যাওয়ারও হুমকি দিয়েছে বাগদাদ।
ইসলামিক স্টেটের হাত থেকে ইরাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মসুল উদ্ধারে নতুন করে সেনা পাঠানোর পরিকল্পনার কথা জানানোর সঙ্গে সঙ্গে তীব্র প্রতিবাদ করে ইরাক। বাগদাদ বলছে, কোনো আলোচনা ছাড়া ইরাকের অভ্যন্তরে সেনা মোতায়েনের পদক্ষেপ জাতীয় সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন। ২০১৪ সালে শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেয় আইএস।
ইরাকি প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল আবাদি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার অধিকার ইরাকের রয়েছে। যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সেনা (তুর্কি) সরিয়ে নেয়া না হয় তবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যাওয়ার বিষয়টিও আমাদের বিবেচনায় রয়েছে।’
এর আগে গত শনিবার ইরাকে মোতায়েন তুর্কি সেনাদের প্রত্যাহার করার ব্যাপারে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছিল ইরাকি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বর্তমানে ইরাকের অভ্যন্তরে কুর্দি বাহিনীগুলোকে প্রশিক্ষণ দেয়ার কথা বলে বাশিকা শহরের কাছে দেড়শ তুর্কি সেনা মোতায়েন রয়েছে। ইরাক সরকারের অভিযোগ তাদের অন্ধকারে রেখে এই সেনাদের মোতায়েন করেছে আঙ্কারা। এখন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই সেনা প্রত্যাহার করার দাবি জানালো ইরাক। সূত্র: রয়টার্স