‘নারী প্রতীকগুলো অসম্মান জানাতে নয়, প্রার্থীকে চিহ্নিত করতে’

 

পৌরসভা নির্বাচনের সংরক্ষিত আসনের নারী প্রতীকগুলো কাউকে ‘অসম্মান’ জানাতে সংরক্ষণ করা হয়নি বরং এগুলো করা হয়েছে প্রার্থীকে চিহ্নিত করতে। এমটাই দাবি করেছেন নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ।

 

সোমবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

 

শাহনেওয়াজ বলেন, আমরা স্থানীয় সরকার পৌরসভা নির্বাচনের আইন পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই বিধিমালাও পরিবর্তন করেছি। তাই বিধিমালা পরিবর্তনে সময় প্রতীক নিয়ে আলোচনার জন্য খুব সময় পাইনি। যে কারণে ওই প্রতীকগুলোই তাড়াহুড়ো করে দেওয়া হয়েছে।

 

তিনি বলেন, নারী প্রার্থীদের প্রতীকগুলো দেওয়া হয়েছে চিহ্নিত করার জন্য, অসম্মান জানাতে বা আঘাত করার জন্য নয়। এ নিয়ে কেউ অভিযোগ দিলে ওগুলো বাদ দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করব। কেউ অস্বস্তি বোধ করলে তা বাদ দিতে বিবেচনা করব।

 

রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে প্রশাসনের কর্মকর্তা নিয়োগের বিষয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমাদের জনবল কম। যারা আছেন তাদের অনেকেই সিনিয়র নন। আবার ৮৫ জন কর্মকর্তা মামলার কারণে দায়িত্বে নেই। কাজেই ইচ্ছে থাকার পরও রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে সব পৌরসভায় নিজেদের কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া যায়নি।

তিনি আরো বলেন, আগে সব পৌরসভাতেই প্রশাসনের লোকবল দিয়ে নির্বাচন করা হয়েছে। তখনও নির্বাচন সুন্দর ও সুষ্ঠু হয়েছে। এবারই প্রথম পৌরসভা নির্বাচনে আমাদের এতোজন কর্মকর্তা নিয়োগ করেছি। তাই এবারও নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হবে।


প্রসঙ্গত, সংরক্ষিত নারী আসনের প্রতীক হিসেবে ফ্রক, চুড়ি, পুতুল, কাঁচিসহ ১০টি মেয়েলি ও গৃহস্থালি প্রতীক সংরক্ষণ করে নির্বাচন কমিশন। আগামী ৩০ ডিসেম্বর দেশের ২৩৪ পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।-প্রিয়.কম