‘বাজিরাও মাস্তানি’র বিরুদ্ধে শিবসেনা

 
মহারাষ্ট্রে সঞ্জয় লীলা বানশালি পরিচালিত ‘বাজিরাও মাস্তানি’র মুক্তি ঠেকাতে আবেদন জানিয়েছেন শিবসেনার একজন এমএলএ। বৃহস্পতিবার ডিএনএ’র প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
 
রণবীর সিং, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও দীপিকা পাড়ুকোণ অভিনীত ছবিটি আগামী ১৮ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে।
 
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাদনাভিসের কাছে একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন থানে জেলার এমএলএ প্রতাপ সারনিক। সেখানে আবেদন করা হয়েছে, ছবির বাদানুবাদপূর্ণ ও বিতর্কিত অংশ ছেঁটে না ফেলা পর্যন্ত মহারাষ্ট্রে ছবিটির মুক্তি যাতে না দেয়া হয়।
 
সারনিক বলেছেন, ছবিটি প্রথমে আইন-প্রণেতাদের দেখানো উচিত  এবং সেখান থেকে অনুমতি পেলে মুক্তি দেয়া উচিত।
 
মুখ্যমন্ত্রীর অফিসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ফাদনাভিস স্মারকলিপির বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে সঠিক তথ্য যাচাইয়ে বলেছেন। এরপর সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে বলেছেন।
 
সারনিকের অভিযোগ, ছবিটিতে অভিনয় করার জন্য রণবীর, দীপিকা ও প্রিয়াঙ্কা অনেক বেশি টাকা নিয়েছেন। আর বানশালি মারাঠার ইতিহাসের দিকে লক্ষ্য না রেখে বাণিজ্যিক দিককেই বেশি বিবেচনা করেছেন।
 
শুধু মহারাষ্ট্রেই নয়, সমগ্র ভারত ও বিশ্বে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে। ফলে যারা বাজিরাও পেশোয়ার, মারাঠার ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানেন না তারা বিভ্রান্ত হবেন।
 
এমএলএ বলেছেন, বাজিরাও পেশোয়ারের বংশধর ও কিছু সামাজিক সংস্থা ছবির বিষয়বস্তুর বিরোধিতা করেছে। তাদের এই বিরোধিতা কোনো ন্যায়বিচার পায়নি।
 
সারনিক বলেন, ‘পিঙ্গা’য় যেভাবে রাণী কাশীবাঈ ও মাস্তানিকে দেখানো হয়েছে এবং   ‘ভাট লাভলি’ গানের বাজিরাওয়ের যে নাচ তার কোনোটাই গ্রহণযোগ্য নয়।
 
শিবসেনার এই নেতা দাবি করেছেন, বাজিরাও পেশোয়ারের বংশধর ও ইতিহাসবিদদের কাছ থেকে সঠিক নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত এবং যেসব দৃশ্য মহারাষ্ট্রের মানুষদের কষ্ট দেবে সেগুলো ছেঁটে না ফেলা পর্যন্ত ছবিটি মুক্তি না দেয়া হোক।