আফগানিস্তানের কান্দাহার বিমানবন্দরে তালেবান জঙ্গি ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যকার ২৭ ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। আফগানিস্তানের কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার একথা জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার ১১ আত্মঘাতী হামলাকারী কড়া নিরাপত্তাবেষ্টিত বিমানবন্দর কমপ্লেক্সে হামলা চালায়। কমপ্লেক্সটিতে ন্যাটো-আফগান যৌথ বাহিনীর সদস্যদের আবাসিক ভবন রয়েছে। এসময় জঙ্গিরা সৈন্যদের পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে এবং উভয়পক্ষে ব্যাপক বন্দুকযুদ্ধ হয়। আফগান সৈন্যরা ওই এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আগেই জঙ্গিরা বেসামরিক লোকদের মধ্যে ঢুকে শরীরে বেঁধে রাখা বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।
পাকিস্তানে এক সম্মেলনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি শান্তি আলোচনা পুরনায় শুরু করতে আফগানিস্তানের আহ্বানের পর ঘটনাটি ঘটল। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ‘এতে ১০ সৈন্য, ২ পুলিশ ও ৩৮ বেসামরিক লোক প্রাণ হারিয়েছে। এছাড়া ১৭ সৈন্য ও ৪ পুলিশসহ ৩৭ জন আহত হয়’।
কান্দাহারের এক সামরিক কমান্ডার জানিয়েছেন, রেডিওতে ধারণকৃত কথাবার্তা থেকে দেখা গেছে জঙ্গিরা উর্দুতে কথা বলছিল। উর্দু আফগানিস্তানের প্রতিবেশী পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।
বুধবার আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি যখন ইসলামাবাদে অবস্থান করছিলেন ঠিক তখনই কাকতালিয়ভাবে হামলার ঘটনাটি ঘটে। আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সম্পর্ক উন্নয়নে হার্ট অব এশিয়া শীর্ষক সম্মেলনে যোগ দিতে তিনি পাকিস্তানে অবস্থান করছিলেন।
ঘানি ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ শান্তি প্রক্রিয়া শুরুর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনও এতে সমর্থন প্রদান করে। বাসস