অ্যান্ড্রয়েডের জন্য বছরের সেরা অ্যাপস

দেখতে দেখতে ২০১৫ সালের শেষ প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছি আমরা। আগের কয়েক বছরের মতো এই বছরেও বছরজুড়ে স্মার্টফোনগুলোর জন্য হাজির হয়েছে নানা ধরনের অ্যাপস। এর মধ্যে অ্যাপের সংখ্যায় এগিয়ে ছিল অ্যান্ড্রয়েড। নানা ধরনের কাজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন ধরনের অ্যাপসগুলোর মধ্যে অনেকগুলোই ব্যবহারকারীদের কাছে প্রশংসা কুড়িয়েছে, পাশাপাশি প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের কাছেও স্বীকৃতি পেয়েছে ভালো অ্যাপ হিসেবে। এতসব অ্যাপসের মধ্যে চারটি ক্যাটাগরির সেরা চার অ্যাপসের কথা জানাচ্ছেন সানজিদা সুলতানা

 
যোগাযোগ - টেক্সট সিকিউর
 
স্মার্টফোন আর ইন্টারনেটের এখন অন্যতম ব্যবহার হলো যোগাযোগ। সামাজিক যোগাযোগের সেবাগুলো থেকে শুরু করে চ্যাটিং অ্যাপসগুলো এক্ষেত্রে মূল ভূমিকা রেখে চলেছে। এই ধরনের অ্যাপসের মধ্যে টেক্সট সিকিউর অ্যাপটি অনেকেই পছন্দ করেছেন। এই মেসেজিং অ্যাপের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এতে পাঠানো সব মেসেজ এনক্রিপ্টেড আকারে পাঠানো হয়। তাছাড়া ফোনে থাকা সব মেসেজও এনক্রিপশনের আওতায় নিয়ে আসা যায়। ফলে এর মাধ্যমে যোগাযোগ করলে তা সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত থাকে। ফোনের মেসেজগুলোতেও অন্যরা চোখ রাখতে পারবে না।
 
বিনোদন - ব্যান্ডক্যাম্প
 
গানের ভক্তরা তাদের অ্যান্ড্রয়েডে নানা ধরনের অ্যাপসই ব্যবহার করে থাকেন। এসব অ্যাপের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে ব্যান্ডক্যাম্প। মিউজিক মার্কেটপ্লেসের বিনামূল্যের অ্যাপ হিসেবে অন্য অনেক অ্যাপসের তুলনায় এগিয়ে থাকবে ব্যান্ডক্যাম্প। মিউজিক স্ট্রিমিংয়ের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহারকারীকে বাড়তি বেশকিছু সুবিধা প্রদান করে থাকে। তাছাড়া এই অ্যাপে কিছুদিন আগে একটি সোস্যাল মিউজিক ফিচারও চালু করা হয়েছে। ফলে এই অ্যাপের ব্যবহারকারীরা এই অ্যাপ থেকেই মিউজিক নিয়ে নিজেদের মতামতগুলো একে অন্যের সাথে শেয়ার করতে পারবেন।
 
ছবি সম্পাদনা - ফটোশপ এক্সপ্রেস ২.০
 
ডেস্কটপ পিসিতে ছবি সম্পাদনার জন্য অ্যাডোবির ফটোশপের বিকল্প নেই বলেই মনে করেন বেশিরভাগ ডিজাইনাররা। মোবাইল ডিভাইসে একটু দেরি করে হাজির হলেও এই ক্ষেত্রেও এখন ফটোশপ পরিণত হয়েছে অনন্য নামে। অ্যান্ড্রয়েডের জন্য ফটোশপ এক্সপ্রে ২.০ তাই ছবি সম্পাদনার জন্য চমত্কার একটি অ্যাপ হয়ে উঠেছে। ডেস্কটপের মতোই ছবি সম্পাদনার সব টুলসই রয়েছে এতে। তাছাড়া ইনস্টাগ্রামের মতো সব সেবায় ছবি ফিল্টারিংয়ের যে সুবিধা রয়েছে, তাও পাওয়া যাবে ফটোশপের এই অ্যাপেই। তাছাড়া এতে ছবি সম্পাদনা করার পর বিভিন্ন সোস্যাল সাইটে ছবি শেয়ারের সুবিধাও রয়েছে।
 
স্বাস্থ্য - মাইফিটনেস প্যাল
 

স্বাস্থ্যসচেতন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা এখন নিজেদের শারীরিক পরিশ্রমের হিসাব রাখতে এবং নিজেদের ফিট রাখতে বিভিন্ন অ্যাপসের ওপর নির্ভর করে থাকেন। এমনই অ্যাপ মাইফিটনেস প্যাল। এই অ্যাপটি ক্যালোরি কাউন্টার হিসেবে যেমন কাজ করে, তেমনি এক্সারসাইজ ট্র্যাকার হিসেবেও কাজ করে। ব্যবহারকারী কী খাবার খাচ্ছেন, তার ওপর ভিত্তি করে এটি ক্যালোরি গ্রহণের হিসাব করে থাকে। সেই হিসেবে এটি কী পরিমাণ ক্যালোরি খরচ করতে হবে, তারও হিসাব জানিয়ে দিতে পারে। এর জন্য হাঁটা, দৌড় বা অন্যান্য শারীরিক পরিশ্রমের হিসাব রাখতে পারে এটি। আপনার স্বাস্থ্য অনুযায়ী কী ধরনের খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন, তার জন্যও পরামর্শ দিতে সক্ষম অ্যাপটি।