দীর্ঘ ৫২ বছর পর নিজেদের মাঝে আবারও সরাসরি ডাক যোগাযোগ চালু করতে একমত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবা। গতকাল শুক্রবার দেশ দু’টি তাদের এই ঐকমত্যের কথা ঘোষণা করে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যে সরাসরি চিঠি-পার্সেল আদান-প্রদান হয় না। তৃতীয় আরেকটি দেশ ঘুরে তা কিউবা বা যুক্তরাষ্ট্রে প্রাপকের হাতে পৌঁছে। এতে নির্দিষ্ট চিঠি বা পার্সেল প্রাপকের হাতে পৌঁছাতে এক মাসেরও বেশি সময় লেগে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, পাইলট পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তৃতীয় কোনো দেশ না হয়ে বরং বিমানে করে সপ্তাহে কয়েকবার সরাসরি দুই দেশের মধ্যে চিঠি আনা-নেওয়া করা হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এ ব্যাপারে বিস্তারিত বিষয় এখনো আলোচনার পর্যায়ে আছে। কিউবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘আগামী কয়েক সপ্তাহের’ এই পরিকল্পনা কার্যকর হবে। পরে তা স্থায়ী হবে।
অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় ধরে চলা বৈরিতা ভুলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও কিউবার প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রো গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর দুই দেশের সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত জুলাইয়ে দুই দেশ পরস্পরের রাজধানীতে পুনরায় দূতাবাস চালু করে।
১৯৬২ সালে কিউবার ওপর বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। পরের বছর থেকে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি ডাক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। সূত্র: এএফপি