নবাগত চিত্রনায়ক আরেফ সৈয়দ। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ‘অনিল বাগচীর একদিন’ চলচ্চিত্রটি দিয়ে চলচ্চিত্রে তার অভিষেক। এরইমধ্যে দর্শক সাড়াও পেয়েছেন ইতিবাচক।
চলচ্চিত্র প্রসঙ্গ নিয়েই কথা বলেছেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মারুফ রহমান
‘অনিল বাগচীর একদিন’ চলচ্চিত্রটির ধারাবাহিক প্রমোশন চলছে বিভিন্ন সিনেমা হলে। যেখানে প্রতিটিতেই উপস্থিত থাকছেন চলচ্চিত্রটির নায়ক আরেফ সৈয়দ
চলতি সময়ে আপনার ব্যস্ততা?
আমার প্রথম চলচ্চিত্র ‘অনিল বাগচীর একদিন’ নিয়েই ব্যস্ততা চলছে। এখন চলচ্চিত্রটির প্রমোশনের কাজ করে যাচ্ছি। চলচ্চিত্রের অনেক বড় একটা অংশ প্রমোশন। তাই আমি চাই না প্রমোশনে কোনো কমতি থাক।
চলচ্চিত্রটি প্রসঙ্গে কিছু জানতে চাই—
হুমায়ূন আহমেদের ‘অনিল বাগচীর একদিন’ উপন্যাসের কাহিনি অবলম্বনে ও মোরশেদুল ইসলামের পরিচালনায় চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে। চলচ্চিত্রটিতে মূলত মুক্তিযুদ্ধকে একটি ভিন্ন আঙ্গিকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
মুক্তির পর দর্শকদের প্রতিক্রিয়া কেমন মনে হচ্ছে?
প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদ স্যারের উপন্যাসের ভক্ত আমরা সবাই। অপরদিকে, মোরশেদুল ইসলাম একজন গুণী চলচ্চিত্র নির্মাতা। সেক্ষেত্রে আমার মনে হয় চলচ্চিত্রটির দর্শক প্রতিক্রিয়া অনেক ভালো হবে। আর শুক্রবার চলচ্চিত্রটি মুক্তির পর দর্শকদের প্রতিক্রিয়া ছিল চোখে পড়ার মতো।
প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে এই চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
আসলে আমার মতো একজন ক্ষুদ্র অভিনেতার পক্ষে হুমায়ুন আহমেদের উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে এবং মোরশেদুল ইসলামের মতো বড় মাপের পরিচালকের অধীনে কাজ করাটা অনেক বেশিকিছু পাওয়া। আমার সৌভাগ্য যে, এতো গুণী মানুষের সংস্পর্শে কাজটি করেছি এবং তাদের সহযোগিতায় আমি কাজটি শেষ করতে পেরেছি। এছাড়া অনিল বাগচীর একদিন করতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধ অনুভব করেছি।
অনেক নতুন নায়ক বিগত সময়গুলোতে এলেও তাদের অনেকেই স্থায়ী বা কাজের ধারাবাহিকতায় নেই। একজন নবাগতর জায়গা থেকে আপনি কী বলবেন?
চলচ্চিত্রকে ভালোবাসি বলেই তো কাজ করতে আসা। ধারাবাহিকভাবে কাজ করার জন্যই শুরু করেছি সেটা যে চলচ্চিত্রই হোক না কেন। বাকিটা নির্ভর করছে আমাদের দেশের চলচ্চিত্র দর্শকরা আমাকে কীভাবে গ্রহণ করছে তার ওপর। মূলত, ধারাবাহিকতা নির্ভর করছে দর্শকদের প্রতিক্রিয়ার ওপর। তবে আমার দর্শকদের কাছে আমার আশা তারা আমাকে ভালোভাবেই গ্রহণ করবে। ‘অনিল বাগচীর একদিন’ মুক্তির পর সেই আত্মবিশ্বাস খুঁজে পেয়েছি।