‘শেখ হাসিনার কারণে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্ভব হয়েছে’

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দৃঢ় ও সাহসী নেতৃত্বের কারণে দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা সম্ভব হয়েছে’।


তিনি বলেন, ‘১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসার পর থেকে তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তার শক্তিশালী নেতৃত্বের ফলে বঙ্গবন্ধু হত্যকারীদের ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে’।


মন্ত্রী আজ বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস-২০১৫ উপলক্ষে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।


আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি শফিকুর রহমান।


বক্তব্য রাখেন বিএফইউজে’র কোষাধ্যক্ষ খায়রুজ্জামান কামাল, ডিইউজে’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম ভূইয়াসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।


সভাপতিত্ব করেন ডিইউজে’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আতিকুর রহমান চৌধুরী। সভা পরিচালনা করেন ডিইউজে সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আফ্রাদ।


অনুষ্ঠানে প্রয়াত সাংবাদিক মনোয়ার আহমদ ও আওলাদ হোসেনের পরিবারের হাতে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সাংবাদিক সহায়তা তহবিলের আর্থিক সহযোগিতার চেক তুলে দেন প্রধান অতিথি।


মন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার ৪৪ বছর পরেও স্বাধীনতার শক্ররা এখনো চক্রান্ত করছে। তারা যদি সুযোগ পায় আবারো ছোবল দিবে। তাই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকলকে আজ এক হয়ে তাদেরকে মোকাবেলা করতে হবে’।


তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালে বিজয়ের আগের মুহূর্তে ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানীরা জাতিকে মেধাশূন্য করার পরিকল্পনা করে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছিল’।


তিনি বলেন, ‘আজ যুক্তরাষ্ট্র অনুধাবন করতে পেরেছে যে, বাংলাদেশ একটি আদর্শ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের আন্ডার সেক্রেটারী টমাস শ্যানন যথার্থই বাংলাদেশকে আদর্শ রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়েছেন’।


তিনি বলেন, ‘বিগত ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশে প্রতিদিন ৩ হাজার ২শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রেখে যায়।

 

বর্তমানে দেশে বিদুত উতপাদন হচ্ছে প্রতিদিন ১৪ হাজার মেগাওয়াট। শিগগিরই দেশে প্রতিদিন ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। এছাড়া সরকার দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক জোন (অঞ্চল) তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে’।


মন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিভিন্নভাবে পুরস্কৃত করেছেন। জিয়া যেসব হত্যাকারীদের পুরস্কৃত করেছে তাদেরকে বিদেশ থেকে দেশে এনে বিচারের সম্মুখীন করার এখন সময় হয়েছে’। বাসস