মির্জাপুরে নাহিদ কটন মিলের গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড, ৫০ কোটি টাকার ক্ষতির আশংকা

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গোড়াই শিল্পাঞ্চলের রপ্তানীমুখী বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান নাহিদ কটন মিলের কম্পোজিট গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনে পুড়ে গেছে গোডাউনের পাটের বেল্ট, তুলা ও সুতা। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০ কোটি টাকা বলে আশংকা করছে মিল কর্তৃপক্ষ।

সোমবার দুপুরে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত হয় বলে মিলের শ্রমিক-কর্মচারী এবং কর্মকর্তাগণ জানিয়েছেন। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে এনেছেন দমকল বাহিনীর কর্মীরা।

নাহিদ কটন মিলের এ্যাডমিন ম্যানেজার মো. মোস্তাকিন জানান, সোমবার দুপুর দুইটার দিকে মিলের সাত নং ইউনিটের কম্পোজিট গোডাউনে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ও দমকল বাহিনীর কর্মীদের খবর দেওয়া হলে মির্জাপুর ও কালিয়াকৈর উপজেলার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। আগুনে গোডাউনের পাটের বেল্ট, তুলা ও সুতা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এছাড়া সুতা উৎপাদনের যন্ত্রপাতির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তবে কোন শ্রমিক কর্মচারী আহত হয়নি।’

এ ব্যাপারে নাহিদ কটন মিলের জেনারেল ম্যানেজার মো. শহিদুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুনে মালামাল ও যন্ত্রপাতি পুড়ে প্রায় ৫০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন লাগার ঘটনা ও ক্ষয়-ক্ষতির সঠিক পরিমানের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’

আরও পড়ুনঃ গফরগাঁওয়ে ট্রাক্টর আর অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এ কে এম মিজানুল হক মিজান ও ফায়ার সার্ভিস এবং সির্ভিল ডিফেন্সের স্টেশন মাস্টার মো. আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ, দমকল বাহিনীর কর্মী এবং মিলের শ্রমিক কর্মচারীরা যৌথভাবে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রনে এনেছে। তবে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’

ইত্তেফাক/নূহু