ভারতের দিল্লিতে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে বিমানে থাকা ১০ আরোহীর সবাই মারা গেছেন। এই ঘটনায় মঙ্গলবার বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সঙ্গে অনুষ্ঠিতব্য বৈঠক স্থগিত করা হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
বিএসএফ সূত্র জানিয়েছে, ঝাড়খন্ডের রানচীগামী বিমানটিতে কারিগরি কর্মীরা ছিলেন। দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী বিমান বন্দরের কাছে দ্বারকায় এই বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটে। ভারত সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, সকাল ৯ টা ৫০ মিনিটে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। উড্ডয়নের পাঁচ মিনিটের মধ্যেই বিমান দুর্ঘটনা ঘটে। কারগরি ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানা গেছে। সূত্র জানিয়েছে, ভারতীয় সময় সকাল ৯ টা ৫০ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিমান পরিবহন প্রতিমন্ত্রী মহেশ শর্মা জানিয়েছেন, দুর্ভাগ্যজনক বিমানের পাইলটসহ ১০ জন মারা গেছেন। এতে দুইজন পাইলট ছিলেন। তিনি বলেন, দুর্ঘটনার প্রকৃত তদন্ত করে দেখতে হবে।
বিএসএফের একটি সূত্র জানিয়েছে, যন্ত্রকারিগররা একটি হেলিকপ্টার মেরামতের উদ্দেশ্যে রানচি যাচ্ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, ছয়টি মৃতদেহ দুর্ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সুরাজ নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, আমরা কাজ করতে ছিলাম। এসময় একটি বিমান ঘুরপাক খেতে একটি দেয়ালের কাছে এসে পড়লো। বিমানটি কয়েক টুকরা হয়ে যায় এবং সেখানে আগুনের ধোঁয়া দেখা যায়। দিল্লির ফায়ার সার্ভিসের প্রধান এ কে শর্মা জানিয়েছেন, ১৫টি দমকল কর্মী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি জানান, বিমান পরিবহন মন্ত্রনালয় থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং প্রধানমন্ত্রী মোদীকে দুর্ঘটনা সম্পর্কে জানিয়েছেন। বিমানে একজন পাইলট, একজন কো পাইলট, ৬ জন যন্ত্রকারিগর, একজন প্রকৌশলী ও একজন ক্রু ছিলেন।