আমাদের দেশে এখন মিডিয়ার ছড়াছড়ি। মঞ্চ বা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের এই জীবনের দীর্ঘ যাত্রায় লেখালেখি করেছি আজীবন প্রায় নিয়মিত অনুসঙ্গেই। এরপরও আমার কাছে স্মৃতির স্বর্ণালী রেখায় লেখা নাম ইত্তেফাক।
স্মৃতি কথাটা উল্লেখ করলাম, কারণ আমার প্রথম জীবনের ছড়া, কবিতা এমনকি গল্প ছেপেছে ইত্তেফাক এবং আমি দেখেছি ইত্তেফাক কখনও লেখকের ‘নেমভ্যালু’কে বিশ্বাস করে কোনোকিছুকে ছাপেনি। চলচ্চিত্র বা সাংস্কৃতিক অনেক গুজব বা গল্প তৈরি হয়েছে। ইত্তেফাক সেদিক দিয়ে একেবারে আলোচ্য শিল্পীর কথাটাকেই গুরুত্ব দিয়েছে। এটা এখনকার বিনোদন বিভাগেও আমি খেয়াল করেছি।
এ ছাড়া মঞ্চের খবরও সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে ছাপে ইত্তেফাক। একইসঙ্গে দেশীয় সংস্কৃতিকে সাপোর্টও দিয়ে আসছে সবসময়। আমি বলবো দৈনিক ইত্তেফাক আমাদের সাংস্কৃতিক দিকনির্দেশনা তৈরি করেছে, যেমনটা করেছে জাতীয় পর্যায়ে। এরপরও আমি বলবো বর্তমান চলচ্চিত্র বা সাংস্কৃতিক বিভিন্ন সঙ্কটের ক্ষেত্রে সঠিক দিকনির্দেশনায় পত্রিকাটি পাঠককে ইতিবাচক মেসেজ দিয়ে যাবে সেটিই প্রত্যাশা করি।
৬৩ বছরের ইত্তেফাক আসলে আমার নিজের ক্যারিয়ারেরও অভিভাবক। সেক্ষেত্রে ইত্তেফাকের জন্মদিনে আমার শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা।