'শুধু পাকিস্তানের ১৯৫ জনের নয়, সব যুদ্ধাপরাধীর বিচার করতে হবে'

 
পাকিস্তানের যেসব সামরিক-অসামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ রয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আওতায় তাদের সবার বিচারের দাবি জানিয়েছে একাত্তরে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।
 
শনিবার দুপুরের পর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, ৭১ এর গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অবিলম্বে দল ও বাহিনী হিসাবে জামায়াতে ইসলামী, মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম, শান্তি কমিটি, রাজাকার, আল বদর, আল শামস, মুজাহিদ বাহিনীসহ যেসব পাকিস্তানি সামরিক অসামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে অপরাধের প্রমাণ রয়েছে। দ্রুত তাদের বিচার করতে হবে।
 
মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে ত্রিদেশীয় চুক্তির আওতায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আটক ১৯৫ সেনা সদস্যকে নিজ দেশে বিচারের মুখোমুখি করার শর্তে ফেরত নেয় পাকিস্তান। এরপর ৪৪ বছর পার হলেও তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করায়নি দেশটি।
 
শাহরিয়ার কবির বলেন, পাকিস্তানিদের বিচার মানে কিন্তু ১৯৫ জনের বিচার নয়। আমরা সকল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই, সকল পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীরও বিচার চাই। পৃথিবীর দেশে দেশে যুদ্ধাপরাধের বিপক্ষে কথা বলার পাশাপাশি বিচার না হওয়া সব অপরাধের বিচারের দাবিতে ২৫ মার্চকে ‘আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস’ঘোষণায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সরকারের উদ্যোগ চেয়েছেন তিনি। এক্ষেত্রে তার পরামর্শ, ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে ঘোষণার অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো যেতে পারে।
 
তার বক্তব্যের সূত্র ধরে নির্মূল কমিটির আইন সম্পাদক তুরিন আফরোজ বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে দলের কী শাস্তি হবে, সেটা বলা নাই। সংশ্লিষ্ট ধারা সংশোধন করে শাস্তির বিধান যুক্ত করতে হবে।