টেক্সাসে ঘূর্ণিঝড়ে ১১ জনের মৃত্যু

 
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের উত্তরাঞ্চলে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছে। এ নিয়ে দেশটির দক্ষিণ-মধ্যাঞ্চলের অঙ্গরাজ্যগুলোতে এক সপ্তাহের টানা ঘূর্ণিঝড়, প্রবল বর্ষণ এবং বন্যায় অন্তত ২৯ জন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। মিসিসিপি, টেনেসি, আরকানস্ এবং আলাবামাতে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। খবর বিবিসি’র
 
টেক্সাসের ডালাসের কাছে গারল্যান্ডেই নিহত হয়েছে আটজন। এদের মধ্যে ৫ জন মারা যায় গাড়ির ভেতর। এছাড়া অন্যান্য শহরে তিনজন মারা গেছে। কর্মকর্তারা বলছেন, পশ্চিম টেক্সাস এবং নিউ মেক্সিকোতে একটি ঐতিহাসিক তুষারঝড়ের আশংকা রয়েছে যাতে ১৬ ইঞ্চি তুষার জমতে পারে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন,ঝড়ে গির্জা, বাড়ি-ঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। গাড়িও বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ ডালাস থেকে উত্তর-পূর্ব উপকূলের ৬৪ কিলোমিটার এলাকার বিভিন্ন রাস্তায় গাছ পড়ে রাস্তা আটকে গেছে। গারল্যান্ড পুলিশ জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে কয়েকটি গাড়ি দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে।  ডালাস কাউন্টির পুলিশ কর্মকর্তা মেলিন্দা উর্বিনা জানিয়েছেন, অনেক গাড়ি গাছের নীচে চাপা পড়েছে। অন্যদিকে শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে লে: পেডরো বেরিনিউ জানিয়েছেন, অন্তত ৬শ’ ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে। রেডক্রস বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় কেন্দ্র খুলেছে।
 

মিসিসিপিতে এক সপ্তাহে অন্তত ২০ টি টর্নেডোর আঘাতে প্রায় ৪০০টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিংবা ধ্বংস হয়ে গেছে। ক্রিসমাসের ছুটিতেও হাজার-হাজার মানুষ বিদ্যুিবহীন অবস্থায় সময় কাটিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রে যদিও ক্রিসমাসের আগে চরমভাবাপন্ন আবহাওয়া নতুন নয়, তবে আবহাওয়াবিদরা বলছেন কয়েকটি এলাকায় অস্বাভাবিক উচ্চ তাপমাত্রার কারণে ঝড়ের তীব্রতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।