মিয়ানমারের দুই জন নাগরিককে থাইল্যান্ডের আদালতে মৃত্যুদণ্ড দেয়ায় ইয়াঙ্গুনে দানা বাধছে থাইল্যান্ডবিরোধী আন্দোলন। অপ্রত্যাশিত এই বিক্ষোভ-আন্দোলন চলতে থাকায় চলতি সপ্তাহে মিয়ানমারে থাই দূতাবাসের কনস্যুলার সেকশন বন্ধ রাখা হয়েছে।
ব্রিটিশ নাগরিক ডেভিড মিলার এবং হান্না উইথারিজকে হত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের নাগরিক উইন জ এবং জ লিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে থাইল্যান্ডের আদালত। ইয়াঙ্গুনের আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, তাদের কাছ থেকে জোর করে স্বীকারোক্তি আদায় করেছে থাই পুলিশ। প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতে তাদের ফাঁসানো হয়েছে।
উইন জ এবং জ লিন আদালতে হত্যার কথা অস্বীকার করেছে এবং বলেছে যে পুলিশ তাদের কাছ থেকে জোর করে স্বীকারোক্তি নিয়েছে। বৌদ্ধ ভিক্ষুসহ শত শত মানুষ গত মঙ্গলবার ইয়াঙ্গুনের রাস্তায় বিক্ষোভ করে।
থাই সরকার মিয়ানমার সরকারকে আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে রাখার আহ্বান জানিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার পর হাজার হাজার মানুষ ইয়াঙ্গুনে থাই দূতাবাসের সামনে জড়ো হন। সেসময় তারা উইন জ এবং জ লিনের মুক্তির দাবিতে শ্লোগান দেন। সূত্র: বিবিসি