নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে চেয়ার দখল নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে বিএনপি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে টিভিতে চেহারা দেখানো এবং চেয়ার দখল নিয়ে বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ নাসির ও পল্টন থানা যুবদল নেতা খলিলের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটির পরে মারামারি হয়।
অন্যান্য দিনের চেয়ে বুধবার একটু আগেই নয়াপল্টনে আসেন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী। এদের কারোরই দলে কোনো পদ নেই। নির্বাচন উপলক্ষে প্রথম দফার সংবাদ সম্মেলন করা হয় সকাল সাড়ে নয়টায়। সবকিছু ঠিকঠাকই ছিল। সময় মতো সংবাদ সম্মেলনও করেন রুহুল কবির রিজভী। সংবাদ সম্মেলন শেষে রিজভী কক্ষ থেকে বের হওয়ার পরপরই শুরু হয় মারামারি। প্রথমে ছাত্রদল নেতা নাসিরের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় পল্টন থানা যুবদলের খলিলের। এরইমধ্যে হঠাত্ করে টেবিলে রাখা বেসরকারি টেলিভিশন এনটিভির মাইক্রোফোন নাসিরের দিকে ছুড়ে মারে। নাসির এর প্রতিবাদ করলে ছুটে গিয়ে তাকে ঘুষি মারে খলিল। পরে রিজভী আহমেদের হস্তক্ষেপে মারমারি এই যাত্রায় শেষ হয়। এ সময় সাংবাদিকরা মাইক্রোফোন দিয়ে মারামারির প্রতিবাদ করলে রিজভী জড়িতদের সাংবাদিকদের কাছে ‘সরি’ বলার জন্য বলে দিয়ে নিজের রুমে চলে যান। মঙ্গলবারও সংবাদ সম্মেলনের সময় সামনের দিকের চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে মহানগর বিএনপির ফিরোজের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রসঙ্গত, এর আগে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে বিএনপি নেতা আবদুস সালাম আজাদ, সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, ছাত্রদলের কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রয়েলের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। বিএনপির একটি সূত্র জানায়, সব হামলাকারিরা ‘বৃহত্তর নোয়াখালী’র। এখানে তাদের একটা জোটও আছে। তাই এদের কোনো সমস্যা নেই। নোয়াখালীর আধিপত্য চলছে বিএনপি অফিসে।