উপজেলা নির্বাচন

প্রথম ধাপে ৭৮ উপজেলায় ভোট পড়েছে ৪৩ শতাংশ

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে ৪৩ দশমিক ৩২ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি বলেছেন, ৭৮টি উপজেলায় রবিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৪৩ দশমিক ৩২ শতাংশ নাগরিক তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। গতকাল সোমবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

২৮টি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত হয়েছে, তা তদন্ত করে ইসি দেখবে বলেও জানান হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি বলেন, যে সব কেন্দ্র বন্ধ হয়েছে, তার প্রত্যেকটি কেন্দ্র কেন বন্ধ হয়েছে, সেটা আমরা তদন্ত করে দেখব।

অনৈতিক কাজে জড়িত থাকায় কয়েকজন প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও জানান ইসি সচিব। তিনি বলেন, আমরা যত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ করে থাকি, তাদের কিন্তু একদিনের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এটা নৈতিকতার প্রশ্ন। আমরা সরকারি কর্মকর্তাদের প্রাধান্য দেই। কোনো কোনো কর্মকর্তা তাদের নৈতিকতা হারিয়ে ফেলে। এ ক্ষেত্রে কোনো কোনো প্রার্থীর পক্ষে সে কাজ করতে চায়। এগুলো নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই কিন্তু এগুলো কঠোরভাবে দমন করি। আগামী দিনগুলোতে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা বা যে কেউ করুক না কেন, সেই দায়ভার তাকেই নিতে হবে।

১০ মার্চ ভোট শুরুর আগেই তিন উপজেলার ভোট স্থগিত করে ইসি। এ বিষয়ে সচিব বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতেই এ উপজেলাগুলো বন্ধ করা হয়েছে। সেখানে নিরপেক্ষ হওয়ার আশা ছিল না বলেই স্থগিত করা হয়েছে।

এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যদিও জাতীয় নির্বাচনের দুই মাসের বেশি সময় পর অনুষ্ঠিত এ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রচারের সময় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে তেমন আগ্রহ দেখা যায়নি। এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, বিএনপিসহ সরকার বিরোধী রাজনৈতিক জোটগুলো এ নির্বাচন বর্জন করেছে। ফলে এবারের নির্বাচন হচ্ছে অনেকটা একতরফা।

আরও পড়ুনঃ ভোটকেন্দ্রে বন্দুক চালানোর প্রশিক্ষণ, আনসার সদস্যের গুলিতে পুলিশ সদস্য আহত

প্রথম ধাপের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১৫ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ৭৮ উপজেলায় প্রাপ্ত ফলাফলে প্রায় ৫৫টিতে নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। দ্বিতীয় ধাপে ১৮ মার্চ, তৃতীয় ধাপে ২৪ মার্চ, চতুর্থ ধাপে ৩১ মার্চ ও পঞ্চম ধাপে ১৮ জুন ভোট গ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন।

ইত্তেফাক/আরকেজি