মালয়েশিয়ায় শ্রমিক প্রেরণের বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে প্রবাসী ও জনকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে সতর্ক করেছে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন। এই বিষয়টি আরো ভালোভাবে বিবেচনা করতে পরামর্শ দিয়েছে গত ৬ তারিখে পাঠানো একটি চিঠিতে।
চিঠিতে সতর্ক করা মালয়েশিয়া সরকার যে প্রক্রিয়ায় শ্রমিক নেয়ার পরিকল্পনা করছে তাতে বাংলাদেশ সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণই থাকবে না। চিঠিতে বলা হয়, মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশে শ্রমিক নিয়োগ সংস্থা অনলাইনের মাধ্যমে বাছাই করবে যা আবার বিবেচনা করবে একটি মালয়েশীয় কোম্পানি। বাংলাদেশ সরকারের কোনো নিয়োগ সংস্থা কাজ পাবে কী পাবে না সেই বিষয়ে কোনো নিয়ন্ত্রণই থাকবে না।
জানা গেছে, সিনারফ্লাক্স নামের একটি সংস্থা যার মালিক মালয়েশিয়ার সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তান স্রি আজমি খালিদ ও একজন বাংলাদেশি আমিনুল ইসলাম, এই পুরো ব্যবস্থার তদারকি করবে। গত অক্টোবরে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি আহমেদ জানিয়ে ছিলেন সিনারফ্লাক্স এই কাজ পাওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত হয়নি। উল্লেখ্য, এই প্রক্রিয়ায় প্রায় দেড় কোটি বাংলাদেশি শ্রমিকের মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা রয়েছে। মালয়েশিয়ার সুশীল সমাজও এই পদ্ধতির সমালোচনা করেছে। এই বিষয়ে ঢাকাস্থ একটি ইংরেজি দৈনিককে বায়রার প্রেসিডেন্ট আবুল বাশারও সিনারফ্লাক্সের মাধ্যমে শ্রমিক নিয়োগ পদ্ধতির বিরুদ্ধে মত দিয়েছেন। এতে পুরো শ্রমিক নিয়োগের পদ্ধতির নিয়ন্ত্রণ একটি সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে।