বেতন কাঠামোতে ‘অসঙ্গতি-বৈষম্য’ দূর না করলে লাগাতার কর্মবিরতিতে যাবেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। আর এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস বন্ধ রাখায় দায় নেবেন না তারা।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের ডাকে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে বেলা একটা পর্যন্ত দেশের ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মবিরতি পালন করে। সেখানে এসব কথা বলেন বক্তারা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি অধ্যাপক ইমদাদুল হক বলেন, আমাদের যদি কর্মবিরতিতে যেতে হয়, তাহলে সেই দায় শিক্ষকরা নেবে না। সেই দায় যারা ষড়যন্ত্র করছে তাদের ওপর বর্তাবে।
ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মাকসুদ কামাল বলেন, কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি থেকে আমরা আবারো সময় দিচ্ছি। দাবি মেনে নেয়া না হলে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ১১ জানুয়ারি থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে যাওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প আমাদের থাকবে না।
অষ্টম বেতন কাঠামো ঘোষণার পর থেকেই টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিলের প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষকরা।