‘অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণে এবং নতুন প্রজন্মের স্বার্থে আমাদের দেশি প্রজাতিগুলোকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে হবে।’ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) ভবনের সম্মেলন কক্ষে পাঁচ বছর মেয়াদী প্রকল্প ‘দেশি মোরগ-মুরগি ও ছাগল পালন’র সমাপনী অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশীয় প্রজাতির প্রাণিসম্পদ কালক্রমে আমাদের দেশ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। অল্প সময়ে অধিক লাভের আশায় খামারীরা বিভিন্ন উন্নত জাতের পশু-পাখি পালন করছেন। যে কারণে আমাদের দেশীয় ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক এসব প্রাণী ধীরে ধীরে বিলুপ্তির পথে।
প্রতিমন্ত্রী বাকৃবির পশুপ্রজনন ও কৌলিবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও জাতীয় ওই প্রকল্প পরিচালক ড. একে ফজলুল হকের প্রশংসা করে বলেন, ‘আমাদের দেশি মুরগি-ছাগলের উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসইয়ের জন্য এবং এসব পালন জনপ্রিয় ও লাভজনক আয় বৃদ্ধিমূলক উদ্যোগের অংশ হিসেবে ড. একে ফজলুল হক প্রকল্প এলাকায় পাঁচ বছর ধরে বিভিন্ন সহায়তামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাউরেসের পরিচালক প্রফেসর ড. মঞ্জুরুল আলম। এতে প্রকল্পের কার্যক্রম ও সফলতা নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্পের প্রধান ও জাতীয় প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া। বাকৃবির পশুপালন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন প্রফেসর ড. মো. নুরুল ইসলাম এতে সভাপতিত্ব করেন।
এতে বাকৃবির সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর এবং বর্তমানে বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এমফও) সিনিয়র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. এমএ সাত্তার মন্ডল সম্মানিত অতিথি হিসেবে এবং নাইরোবি-কেনিয়া আইএলআরআইয়ের ড. অ্যালয় ওকেই মাওয়াই ও ওর্য়াল্ড ভিশন বাংলাদেশের পরিচালক ড. ডেভিড মন্টেনেগু বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী, বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানী, পিএইচডি গবেষক, মাস্টার্স ও অনার্স শিক্ষার্থী, উপকারভোগী কৃষক-কৃষাণীরা উপস্থিত ছিলেন।