বুরকিনা ফাসোর সরকার বলেছে, রাজধানীর ওয়াগাদিগুর একটি হোটেলে জঙ্গিদের হামলার ঘটনায় বিদেশিসহ ২৮ জন নিহত ও ৫৬ জন আহত হয়েছেন। রবিবার বিবিসির এই প্রতিবেদনে তথ্য জানানো হয়েছে। ঐ হোটেলটি বিদেশিদের কাছে বেশ জনপ্রিয় ছিল।
বুরকানেবের নিরাপত্তা মন্ত্রী সিমন কম্পোয়ার বলেছেন, স্প্লেনডিড হোটেল থেকে ১৭৬ জিম্মিতে মুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া তিনজন ‘খুব তরুণ’ হামলাকারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে ছয়জন কানাডার নাগরিক, দুইজন ফরাসি ও দুইজন সুইস নাগরিক রয়েছেন। এছাড়া ৬৭ বছর বয়সী একজন ডাচ স্বেচ্ছাসেবক নিহত হয়েছেন বলে ডাচ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। মার্কিন মিশনারি মাইক রিডারিংও নিহত হয়েছেন বলে তার স্ত্রী ফেসবুকে জানিয়েছেন। হামলায় বুরকিনা ফাসোর পাঁচ নাগরিকও নিহত হয়েছেন।
নিহতদের স্মরণে বুরকিনা ফাসো ৭২ ঘণ্টার হাতীয় শোক পালন শুরু করেছে।
হামলায় অন্তত চারজন হামলকারী নিহত হয়েছে। হামলকারীদের মধ্যে নারীরাও ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
ঐ হোটেল ছাড়াও একটি ক্যাফে ও কাছের আরেকটি হোটেল হামলার লক্ষ্য করা হয়েছিল।
আল-কায়েদার ইসলামিক মেগরাব (একিউআইএম) বলেছে, শুক্রবার রাতে তারা এই হামলা চালিয়েছে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, নিহতদের মধ্যে ছয়জন কানাডার নাগরিক রয়েছেন।