মাত্র ৬২ জন অতি ধনী ব্যক্তির হাতে যে পরিমাণ সম্পদ রয়েছে তা সারা বিশ্বের অর্ধেক মানুষের সম্পদের চেয়েও বেশি। দাতব্য সংস্থা অক্সফাম পরিচালিত নতুন একটি গবেষণায় বৈষম্যের এই ভয়াবহ চিত্রটি উঠে এসেছে।
গবেষণার ফলাফল বলছে, বিশ্বের ৩৬০ কোটি মানুষের সম্পদের চেয়েও এই ৬২ জন এক ট্রিলিয়ন ডলার বেশি সম্পদের মালিক। ২০১০ সালেও এই দুই পক্ষের সম্পদের পরিমাণ সমান ছিল। মাত্র পাঁচ বছরের ব্যবধানে বৈষম্য ৪১ শতাংশ বেড়ে এই অবস্থায় দাঁড়িয়েছে।
চলতি সপ্তাহে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বৈঠককে সামনে রেখে এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করল যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতব্য সংস্থাটি।
গবেষণাটিতে দেখানো হয়েছে, অপেক্ষাকৃত গরিব মানুষেরা গত এক বছরে যেখানে আরো গরিব হয়েছে, সেখানে শীর্ষ ৬২ জন ধনীর সম্পদ আরো অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলার বেড়ে এক দশমিক ৭৬ ট্রিলিয়নে দাঁড়িয়েছে।
২০১১ সালে বিশ্বের অর্ধেক মানুষের সমান সম্পদ ছিল মাত্র ৩৮৮ জন শীর্ষ ধনীর হাতে। তবে পরের বছরই এই সংখ্যা নামতে শুরু করে। তখন ১৭৭ জন ধনী অর্ধেক জনগোষ্ঠীর সমান সম্পদের মালিকে পরিণত হন। ২০১৪ সালে এটি ৮০ এবং ২০১৫ সালে এ সংখ্যা ৬২ জনে নেমে আসে।
এই বৈষম্য নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে অক্সফামের প্রধান নির্বাহী মার্ক গোল্ডরিং বলেন, একটি ক্ষুদ্র অতি ধনী গোষ্ঠীর হাতে যে সম্পদ রয়েছে, তা বিশ্বের মোট অর্ধেক মানুষের হাতে নেই। আর এটা স্বাভাবিকভাবেই অগ্রহণযোগ্য। এই অতি সম্পদশালীদের মাত্র একটি ট্রেনের বগির ভেতরেই রাখা সম্ভব। সূত্র: দ্য ইনডিপেন্ডেন্ট