ওলাঁদ-মোদীর ‘রোমান্স’ নিয়ে টুইটারে হৈ চৈ

ছবিটা হৈ চৈ ফেলার মতোই। এমন দৃশ্য সিনেমায়ও দেখা যায় না। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদের কোমর ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী! রবিবার চণ্ডীগড়ের রক গার্ডেনে তোলা হয়েছে এই ছবি। গণমাধ্যমের কল্যাণে ছবিটা সোশ্যাল মিডিয়ায় আসার পর পরই তা নিয়ে চলছে মাতামাতি। সূত্র- স্ক্রল ডটইন।
 
ওলাঁদ ভারতে আসার আগেই মোদী জানিয়েছিলেন, তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাবেন। কথা রেখেছেন তিনি। রক গার্ডেনে কখনও মোদীর বাহুবন্ধনে দেখা গিয়েছে ওলাঁদকে, কখনও আবার দেখা গেছে ওলাঁদের কোমর জড়িয়ে আছেন মোদী। যা আরও একবার উস্কে দিয়েছে মোদীর ‘রোমান্স’ রসালাপকে।
 
কালো স্যুট পরিহিত ওলাঁদকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরছেন বাদামি শাল পরা মোদী —টুইটারে এই ছবির সঙ্গে ফিল্মি সংলাপ ধার করে একজন লিখেছেন, ‘মেরে দিল মে আপকে লিয়ে সির্ফ ইজ্জত হ্যায় নরেনবাবু’!
 
ওলাঁদ-মোদীর কোমর জড়ানোর ছবিটির সঙ্গে আরেকজন পোস্ট করেছেন টাইটানিকের সেই বিখ্যাত দৃশ্য যেখানে জাহাজের ডেকে দু’হাত সামনে ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে থাকা প্রেমিকা রোজের (কেট উইন্সলেট) কোমর জড়িয়ে ধরেছে জ্যাক (লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও)! মোদী-ওলাঁদের ওই ছবির নীচে একজন লিখেছেন, ‘প্রেমের এই গল্প টোয়াইলাইটের চেয়ে ভাল’। ওই ছবির সঙ্গে আরেকজনের দেওয়া ক্যাপশন, ‘ওলাঁদের প্রশ্ন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কী কাজ করেন আপনি।’ মোদী বললেন, ‘দেখাচ্ছি... লেট মি শো ইউ’!
 
IMG0
 
এমন হাজারো মন্তব্যে সরগরম হয়ে উঠেছে টুইটার। আর এতে পরিহাসের পাশাপাশি কেউ কেউ এই ছবি দেখে বিস্ময় প্রকাশও করেছেন।
 
রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে মোদীর উষ্ণ আলিঙ্গন অবশ্য এই প্রথম নয়। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে থেকে শুরু করে অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবট —তাবড় নেতাদের বুকে টেনে নিতে কুণ্ঠাবোধ করেননি ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছিল, যখন মোদী আবু ধাবিতে গিয়ে সেখানকার রাজপুত্র শেখ মুহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহয়ানকে আলিঙ্গন করেছিলেন। মুহাম্মদ বিন জায়েদের চোখে চোখ রেখে মোদীর দাঁড়িয়ে থাকার সেই ছবি ঘিরে তখন আলোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছিল টুইটারে।
 
ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে নয়াদিল্লীতে  থাকবেন ওলাঁদ। ভারতীয়রা কি তবে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের আরও ‘রোমান্স’ দেখার অপেক্ষায় আগলে থাকবেন?