একটি ভুয়া চিঠিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহর লাল নেহেরুর সমালোচনার ঝড় ওঠে। পরে জানা যায়, চিঠিটি ভুয়া। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতাজি সুভাষ বসুকে দেশদ্রোহী আখ্যায়িত করে ১৯৪৫ সালে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ক্লেমেন্ট অ্যাটলিকে লেখা একটি চিঠি ইন্টারনেটে পোস্ট করা হয় যাতে নেহেরুর জাল স্বাক্ষরও আছে।
সম্প্রতি নেতাজি সংক্রান্ত ১০০টি নথি প্রকাশ করেছে বিজেপি সরকার। এই সকল নথিতে এধরনের কোনো চিঠির কথা উল্লেখ নেই। প্রখ্যাত ভারতীয় ইতিহাসবিদ রামচন্দ্র গুহ বলেছেন চিঠিটি ভুয়া। কিন্তু এর আগেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেহেরুর সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকে নেহেরুর ব্যাপারে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেন। অনেকে নেহেরুর দল কংগ্রেসকে ক্ষমা চাইতে বলেন।
রবিবার ভারতীয়দের দুই ধরনের মন্তব্যে মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটার ছেয়ে যায়। এর মধ্যে একদল নেতাজির হত্যাকারী হিসেবে নেহেরুকে উল্লেখ করে। অপর পক্ষ নেহেরুকে আধুনিক ভারতের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে উল্লেখ করে।
নেহেরুর ভুয়া চিঠির ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করে কংগ্রেস জানিয়েছে ব্যাপারটিকে হালকাভাবে নেবে না তারা। নেতাজি বিমান দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন এবং তাকে তাইওয়ানে সমাধীস্থ করা হয়-কথাটি অনেক ভারতীয় বিশ্বাস করেন না। তার মৃত দেহের কোনো ছবিও পাওয়া যায়নি। সূত্র: বিবিসি