বিশ্বের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে ফেসবুক ইন্টারনেট ড্রোন চালুর ঘোষণা দিয়েছিল। এবার গুগলও ইন্টারনেট সেবা দিতে ড্রোন ব্যবহারের কথা জানিয়েছে। জানা গেছে, ৫জি ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার জন্য সৌর শক্তি চালিত এক বিশেষ ড্রোন প্রকল্প নিয়ে বর্তমানে কাজ করছে এই সার্চ জায়ান্ট। বর্তমানে বিশ্বের কিছু কিছু দেশে ৪জি সেবা চালু আছে। তবে এর থেকেও ৪০ গুন দ্রুত গতিতে তথ্য আদান প্রদান করা যাবে ৫জি ইন্টারনেট ব্যবহার করে। এই ড্রোনে গুগল মিলিমিটার ওয়েভ প্রযুক্তি ব্যবহার করবে বলেও শোনা যাচ্ছে। ২০১৪ সালে গুগল টাইটান অ্যারোস্পেস অধিগ্রহণ করেছিল। ইন্টারনেট ড্রোনের জন্য এই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ড্রোন এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। টাইটানের তৈরি ‘সোলারা ৫০’ নামের ড্রোন এই কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। সৌরশক্তি চালিত এই ড্রোনের ডানার দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০ মিটার। গুগলের এই ইন্টারনেট ড্রোন প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রজেক্ট স্কাইবেন্ডার’। এই প্রকল্পের জন্য গুগল ‘গেটওয়ে টু স্পেস’ নামে পরিচিত ভার্জিন গ্যালাক্টিকের কাছ থেকে ১৫ হাজার বর্গফুটের একটি হ্যাঙ্গার ভাড়া করেছে। এর পাশাপাশি স্পেসফ্লাইট অপারেশন সেন্টারে প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব ফ্লাইট কন্ট্রোল সেন্টার স্থাপন করেছে। এ ছাড়া গুগল গত কয়েক মাসে মেক্সিকোর স্পেসপোর্ট আমেরিকায় বসিয়েছে দুটি কমিউনিকেশন সেটআপ যেখানে মিলিমিটার ওয়েভ ট্রান্সিভারের সাথে আছে রিপিটার টাওয়ারও। বর্তমানে ভার্জিন গ্যালাক্টিকের হ্যাঙ্গার ব্যবহারের জন্য গুগলকে প্রতিদিন গুনতে হচ্ছে এক হাজার ডলার।
পাবলিক রেকর্ডস আইনের আওতায় প্রকাশিত বিভিন্ন ডকুমেন্ট থেকে আরও জানা গেছে, বর্তমানে বেশ কয়েকটি ড্রোন নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এ বছরের জুলাই পর্যন্ত এসব পরীক্ষা চালানোর জন্য গুগলকে অনুমতি দিয়েছে ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন (এফসিসি)।