কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ছাত্রদলের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ

 
 
রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ছাত্রদলের দু’গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের সদ্য ঘোষিত নতুন কমিটির পক্ষে ও কমিটিতে স্থান না পাওয়া নেতাদের মধ্যে বুধবার বিকেলে এ সংঘর্ষ হয়।
 
বেলা আড়াইটায় পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতাকর্মীরা কাকরাইল নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে কার্যালয়ের দিকে মিছিল নিয়ে অগ্রসর হলে কার্যালয়ে সামনে অবস্থানরত কমিটির পক্ষের নেতাকর্মীদের সঙ্গে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। কার্যালয়ের সামনে সকাল থেকেই কমিটির পক্ষের নেতাকর্মীরা অবস্থান করছিল।
 
IMG0
 
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কাকরাইল নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে পদবঞ্চিত অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী ইট ও লাঠিসোটা নিয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দিকে এগোতে থাকে। এ সময় রাস্তায় যান চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়। ওদিকে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থানরতরাও প্রস্তুত ছিল লাঠিসোটা হাতে নিয়ে। একপর্যায়ে পদবঞ্চিতদের তারা ধাওয়া করে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় চারপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নয়াপল্টন এলাকায় সব দোকান বন্ধ হয়ে যায়। এ ঘটনায় কয়েকজন পথচারী আহত হয়েছেন।
 
৬ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে ছাত্রদলের ৭৩৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। পরদিন রবিবার বিকেলে ক্ষুব্ধ ছাত্রদল নেতাকর্মীরা ঘোষিত কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটির দাবিতে নয়াপল্টনে বিক্ষোভ করে। বিক্ষোভ চলাকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে ও সামনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যও দিচ্ছে দুই পক্ষের নেতারা। বিদ্রোহিদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দলে স্থান পাওয়া কয়েকজন নেতা।
 
অবশ্য বিএনপি বলছে, এরা ছাত্রদল নয়, সরকারের মদদপুষ্টরা এই হামলা করেছে। এরা সরকারের এজেন্ট।
 

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী ও সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু পছন্দমতো নিজেদের লোক দিয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করেছেন। টাকার বিনিময়ে অনেক জুনিয়র সিনিয়রকে টপকে বড় পদ পেয়েছেন।