আইনস্টাইনের মহাকর্ষ তরঙ্গ তত্ত্ব সঠিক

বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের অপেক্ষবাদ তত্ত্বের মহাকর্ষীয় তরঙ্গকে শত বছর পর বাস্তবে শনাক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। খবর রয়টার্সের।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে শনাক্তের এ ঘোষণা দেয়া হয়। প্র্রসঙ্গত, ১৯১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি আইনস্টাইন স্থান-কালকে বাঁকিয়ে দেয়া এ মহাকর্ষ তরঙ্গের তত্ত্ব দেন।  

গবেষকরা বলছেন, সূর্যের থেকে প্রায় ৩০ গুণ ভারী দুটি কৃষ্ণ গহ্বরের সংঘর্ষ থেকে উৎপন্ন এই মহাকর্ষীয় তরঙ্গ (গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ) শনাক্ত করা হয়েছে।

পৃথিবী থেকে এক দশমিক বিলিয়ন বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে ওই দুটি ব্ল্যাক হোল একে অন্যের চারপাশে চক্রাকারে ঘুরতে ঘুরতে এক পর্যায়ে একসঙ্গে মিশে যায়।

ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি এবং লেজার ইন্টারফেরোমিটার গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েব অভজারভেটরির (এলআইজিও-লাইগো) গবেষকরা এই ঘোষণা দেন।

আলোর মতো মহাকর্ষ তরঙ্গ এক স্থান থেকে অন্যস্থানে ছড়িয়ে পড়ে। প্রার্থক্যটা হলো, আলো বিকিরণ আকারে ছড়ায়। আর মহাকর্ষ তরঙ্গ স্থান-কালের স্বাধিকারবলে নিজেই এক্ষেত্রে তরঙ্গায়িত হয়।

কোনো বালতির পানিতে হাত ডুবিয়ে তুললে পানির উপরিতলে যে মৃদু ঢেউ ধীরে ধীরে বালতির গোলাকার দেয়ালের দিকে ছড়িয়ে যায়, এই মহাকর্ষীয় তরঙ্গ স্থানের মধ্যে সেরকম মৃদু ঢেউ তৈরি করে তথা স্থানকে বাঁকিয়ে দিয়ে সম্প্রসারণ করে।