সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের এ মেয়াদের শেষ অর্থবছরে (২০১৮-১৯) ৪ লাখ ৪০ হাজার কোটি থেকে ৪ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করা হবে।
তিনি বলেন, এই লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে উন্নত দেশ গড়তে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে মূল্যবান বক্তব্য রাখার জন্য রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানান। রাষ্ট্রপতির ভাষণে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আজ ২০তম দিনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, সরকারি দলের হাবিবুর রহমান, বেগম মাহজাবিন খালেদ, বেগম আক্তার জাহান, বেগম রোখসান ইয়াসমিন ছুটি, মোহা. গোলাম রাব্বানী, মো. মামুনুর রশীদ কিরন, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ নোমান ও বেগম নূর-ই-হাসনা লিলি চৌধুরী আলোচনায় অংশ নেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, দেশের অর্থনীতির একটি শক্ত অবস্থান হলো বৈদেশিক রেমিট্যান্স। এই রেমিট্যান্সকে আরও অনেক বেশি বাড়াতে পারব, যখন স্কিল ইমপ্রুভমেন্ট প্রোগ্রামটি কার্যকর হবে। এই প্রোগ্রামের জন্য এক কোটি ৪৫ লাখ টাকা রাখার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এজন্য বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করে এই উদ্যোগটি এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
এই দিকটিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, ‘এটাতেই রয়েছে আমাদের ভবিষ্যতের স্বপ্ন। স্কিল ইমপ্রুভমেন্ট না করলে যেসব সুন্দর সুন্দর স্বপ্ন দেখছি সেটা পূরণ হবে না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ৬৮ বছর আগের স্থলসীমা সমস্যার সমাধান হয়ে বাংলাদেশ একটি নিজস্ব সীমারেখা পেয়েছে।'
তিনি বলেন, আমাদের সকলের লক্ষ্য হচ্ছে দারিদ্র্য বিমোচন। পাকিস্তানের অত্যাচার এবং বিধ্বংসী কর্মকান্ডের ফলে তখন দেশের দারিদ্র্য ছিল ৭০ শতাংশ এখন তা ২৪ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। সরকারের এই মেয়াদের শেষে দারিদ্র্যসীমা ১০ শতাংশে নেমে আসবে।